পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যা, স্ত্রীসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার গোড়ক মন্ডল গ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিকসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা দায়রা আদালতের অতিরিক্ত বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় দেন। কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ফুলবাড়ির গোড়ক মন্ডল এলাকার নিহতের স্ত্রী নুর নাহার, শাশুড়ি ছকিনা বেগম, শ্বশুর নুর মোহাম্মদ ও স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক গফুর। আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার গোড়কমন্ডল গ্রামে স্ত্রী নুরনাহার তার স্বামীকে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে কৌশলে পাশের তার পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী নুর নাহার ও তার বাবা-মা এবং তার পরকীয়া প্রেমিক মিলে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করে বাড়ির পাশের জমিতে মরদেহ ফেলে রাখে। এ হত্যাকাণ্ডের পরদিন ১৯ এপ্রিল কেতাব উদ্দিনের বাবা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযুক্ত চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার গোড়ক মন্ডল গ্রামে পরকীয়ার জেরে স্বামী কেতাব উদ্দিনকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও তার প্রেমিকসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে কুড়িগ্রামের অতিরিক্ত জেলা দায়রা আদালতের অতিরিক্ত বিচারক জয়নাল আবেদীন এ রায় দেন।
কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- ফুলবাড়ির গোড়ক মন্ডল এলাকার নিহতের স্ত্রী নুর নাহার, শাশুড়ি ছকিনা বেগম, শ্বশুর নুর মোহাম্মদ ও স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক গফুর।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ১৮ এপ্রিল কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার গোড়কমন্ডল গ্রামে স্ত্রী নুরনাহার তার স্বামীকে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে কৌশলে পাশের তার পরকীয়া প্রেমিকের বাড়িতে নিয়ে যান। সেখানে স্ত্রী নুর নাহার ও তার বাবা-মা এবং তার পরকীয়া প্রেমিক মিলে কেতাব উদ্দিনকে হত্যা করে বাড়ির পাশের জমিতে মরদেহ ফেলে রাখে।
এ হত্যাকাণ্ডের পরদিন ১৯ এপ্রিল কেতাব উদ্দিনের বাবা আলী মুদ্দিন বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে অভিযুক্ত চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
What's Your Reaction?