পশুর হাটে ৮০ টাকার ডাব ১৫০!
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী সিটি হাটে জমে উঠেছে পশু বেচাকেনা। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে খামারি ও ক্রেতারা ভিড় করছেন এই হাটে। তবে গরুর দামের পাশাপাশি এখন আলোচনায় এসেছে ডাবের অস্বাভাবিক মূল্য। অন্যান্য সময় ৭০-৮০ টাকা পিস বিক্রি হওয়া ডাব এখন সিটি হাটে বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৫০ টাকায়। তীব্র গরম ও দাবদাহের কারণে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামেই ডাব কিনে খাচ্ছেন হাটে আসা মানুষজন। বুধবার (২০ মে) দুপুরে সিটি হাট ঘুরে দেখা যায়, প্রচণ্ড রোদের মধ্যে পশু বেচাকেনায় ব্যস্ত ক্রেতা-বিক্রেতারা। বেচাকেনার মাঝে তীব্র গরম থেকে স্বস্তি পেতে অতিরিক্ত দাম দিয়েই ডাব কিনে খাচ্ছেন তারা। হাটে গরু নিয়ে আসা চারঘাট উপজেলার খামারি নজরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এতো গরমে শরীর একেবারে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। একটু স্বস্তির জন্য একটা ডাব কিনলাম। কিন্তু এক চুমুকেই প্রায় শেষ হয়ে গেলো। ছোট একটা ডাবের জন্য ১৫০ টাকা নেওয়া সত্যিই অস্বাভাবিক। হাটে আসা মানুষের অসহায় অবস্থার সুযোগ নেওয়া হচ্ছে।’ বাবার সঙ্গে হাটে গরু নিয়ে আসা খামারি বাবুল বলেন, ‘সকাল থেকে হাটে আছি। প্রচণ্ড রোদ আর গরমে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়ে
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী সিটি হাটে জমে উঠেছে পশু বেচাকেনা। জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে খামারি ও ক্রেতারা ভিড় করছেন এই হাটে। তবে গরুর দামের পাশাপাশি এখন আলোচনায় এসেছে ডাবের অস্বাভাবিক মূল্য।
অন্যান্য সময় ৭০-৮০ টাকা পিস বিক্রি হওয়া ডাব এখন সিটি হাটে বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৫০ টাকায়। তীব্র গরম ও দাবদাহের কারণে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত দামেই ডাব কিনে খাচ্ছেন হাটে আসা মানুষজন।
বুধবার (২০ মে) দুপুরে সিটি হাট ঘুরে দেখা যায়, প্রচণ্ড রোদের মধ্যে পশু বেচাকেনায় ব্যস্ত ক্রেতা-বিক্রেতারা। বেচাকেনার মাঝে তীব্র গরম থেকে স্বস্তি পেতে অতিরিক্ত দাম দিয়েই ডাব কিনে খাচ্ছেন তারা।
হাটে গরু নিয়ে আসা চারঘাট উপজেলার খামারি নজরুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘এতো গরমে শরীর একেবারে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। একটু স্বস্তির জন্য একটা ডাব কিনলাম। কিন্তু এক চুমুকেই প্রায় শেষ হয়ে গেলো। ছোট একটা ডাবের জন্য ১৫০ টাকা নেওয়া সত্যিই অস্বাভাবিক। হাটে আসা মানুষের অসহায় অবস্থার সুযোগ নেওয়া হচ্ছে।’
বাবার সঙ্গে হাটে গরু নিয়ে আসা খামারি বাবুল বলেন, ‘সকাল থেকে হাটে আছি। প্রচণ্ড রোদ আর গরমে টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়েই ১৪০ টাকা দিয়ে ডাব কিনে খেলাম। সাধারণ সময়ে এই ডাবের দাম অর্ধেকও হয় না। কিন্তু গরমে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে, আর সেই সুযোগে দাম বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’
এ বিষয়ে ডাব ব্যবসায়ী আব্দুল কাইয়ুম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা ইচ্ছা করে দাম বাড়াইনি। তীব্র গরমের কারণে হাটে ডাবের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়া হাটে জায়গা নেওয়া, পরিবহন খরচ ও অন্যান্য খরচও বেড়েছে। ওপর থেকে আমাদের বেশি দামে ডাব কিনতে হচ্ছে। তাই কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।’
হাটে শৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা লিটন মাহমুদ বলেন, ‘হাটে অতিরিক্ত ভিড় ও তীব্র গরমের কারণে খাবার ও পানীয়ের চাহিদা বেড়েছে। তবে কেউ যেন অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়িয়ে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে না ফেলে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মনির হোসেন মাহিন/এসআর/এএসএম
What's Your Reaction?