পালিয়ে বাঁচলেও ‘দোজখ দেখে ফেলেছে’ সন্ত্রাসী রায়হান: এসপি মাসুদ

চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম বলেছেন, পালিয়ে গেলেও দোজখ দেখে ফেলেছে সন্ত্রাসী রায়হান। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। পুলিশ সুপার মাসুদ বলেন, রায়হানকে ধরতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছিল। একটি বাড়িতে অবস্থান করলেও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যায় সে। তিনি বলেন, সে জাহান্নাম দেখেনি, তবে দোজখ দেখে ফেলেছে।  তিনি বলেন, যারা চট্টগ্রাম অঞ্চলে সন্ত্রাস, হত্যা, চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের কারও রেহাই নেই। প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাউজান, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সঙ্গে রায়হানের নাম উঠে এসেছে। এসব এলাকায় হত্যাকাণ্ড, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসপি মাসুদ আলম বলেন, সন্ত্রাসীদের কোনো দল, পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান নেই। অপরাধী হিসেবে তাদের একমাত্র পরিচয়। অপরাধের সঙ্গে জড়িত

পালিয়ে বাঁচলেও ‘দোজখ দেখে ফেলেছে’ সন্ত্রাসী রায়হান: এসপি মাসুদ
চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম বলেছেন, পালিয়ে গেলেও দোজখ দেখে ফেলেছে সন্ত্রাসী রায়হান। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। পুলিশ সুপার মাসুদ বলেন, রায়হানকে ধরতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় অভিযান চালানো হয়েছিল। একটি বাড়িতে অবস্থান করলেও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ছাদ থেকে লাফ দিয়ে পালিয়ে যায় সে। তিনি বলেন, সে জাহান্নাম দেখেনি, তবে দোজখ দেখে ফেলেছে।  তিনি বলেন, যারা চট্টগ্রাম অঞ্চলে সন্ত্রাস, হত্যা, চাঁদাবাজি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তাদের কারও রেহাই নেই। প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাউজান, ফটিকছড়ি ও রাঙ্গুনিয়া এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সঙ্গে রায়হানের নাম উঠে এসেছে। এসব এলাকায় হত্যাকাণ্ড, চাঁদাবাজি ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসপি মাসুদ আলম বলেন, সন্ত্রাসীদের কোনো দল, পরিচয় বা সামাজিক অবস্থান নেই। অপরাধী হিসেবে তাদের একমাত্র পরিচয়। অপরাধের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ কাজ করছে। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী চক্রগুলোর একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে বিদেশ থেকেও এসব চক্র পরিচালিত হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা তথ্য, প্রযুক্তির বিশ্লেষণ ও মাঠপর্যায়ের অভিযানের মাধ্যমে এসব নেটওয়ার্ক ভেঙে ফেলা হচ্ছে। ডেভিড ইমন গ্রেপ্তারের পর রায়হানকে ধরতে অভিযান চালানোর বিষয়টি তুলে ধরে পুলিশ সুপার জানান, ডেভিড ইমন গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর অভিযানের গোপনীয়তা কিছুটা ব্যাহত হয়। বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় অনেক অপরাধী আগেই সতর্ক হয়ে যায় এবং অবস্থান পরিবর্তন করে। তবে রায়হানসহ যেসব সন্ত্রাসী এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে, তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। পুলিশ সুপার বলেন, চট্টগ্রাম অঞ্চলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান কঠোর। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। রাষ্ট্রের আইন সবার জন্য সমান এবং অপরাধীদের আইনের মুখোমুখি হতেই হবে। সন্ত্রাসীদের সহযোগী, অস্ত্রের উৎস এবং পুরো নেটওয়ার্ক শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ। প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow