পুরো ঢাকা শহরকে সুন্দর করে সাজাতে চাই : ডিএসসিসি প্রশাসক
নগরবাসীকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, গত ১৭ বছর না পাওয়ার যে বেদনা ছিল; আমরা এগুলোকে ঝেড়ে মুছে ফেলে দিতে চাই। আমরা সুন্দরের দিকে, সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আমরা নগরবাসীকেও বলব আপনারাও প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগান। তাহলে ঢাকা শহর সবুজের শহরে রূপান্তরিত হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর কাকরাইল মসজিদ মোড়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট হতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল পর্যন্ত রোড মিডিয়ান ও ফুটপাতে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য ফুলগাছসহ ফুলের টব স্থাপন কাজ উদ্বোধনকালে প্রশাসক এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়ার স্বপ্নের অংশ হিসেবে এই সড়কটিকে একটি ‘আইডিয়াল ও মডেল রাস্তা’ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। প্রকল্পের প্রথম ধাপে এই সড়কে বিভিন্ন আকৃতির ৫৪টি নান্দনিক ফুলের টব স্থাপন করা হয়েছে। এসব টবে বাগান বিলাস, রঙ্গন, অলোকানন্দা, পোর্টুলিকা ও কামিনীসহ বিভিন্ন প্রজাতির রঙিন ফুলগাছ লাগানো হবে।
ফুটপাত দখল ও গাছ নষ্ট হওয়া প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, সিটি করপোরেশন
নগরবাসীকে অন্তত একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম বলেছেন, গত ১৭ বছর না পাওয়ার যে বেদনা ছিল; আমরা এগুলোকে ঝেড়ে মুছে ফেলে দিতে চাই। আমরা সুন্দরের দিকে, সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। আমরা নগরবাসীকেও বলব আপনারাও প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছ লাগান। তাহলে ঢাকা শহর সবুজের শহরে রূপান্তরিত হবে।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানীর কাকরাইল মসজিদ মোড়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতাধীন গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট হতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল পর্যন্ত রোড মিডিয়ান ও ফুটপাতে সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য ফুলগাছসহ ফুলের টব স্থাপন কাজ উদ্বোধনকালে প্রশাসক এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ গড়ার স্বপ্নের অংশ হিসেবে এই সড়কটিকে একটি ‘আইডিয়াল ও মডেল রাস্তা’ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। প্রকল্পের প্রথম ধাপে এই সড়কে বিভিন্ন আকৃতির ৫৪টি নান্দনিক ফুলের টব স্থাপন করা হয়েছে। এসব টবে বাগান বিলাস, রঙ্গন, অলোকানন্দা, পোর্টুলিকা ও কামিনীসহ বিভিন্ন প্রজাতির রঙিন ফুলগাছ লাগানো হবে।
ফুটপাত দখল ও গাছ নষ্ট হওয়া প্রসঙ্গে প্রশাসক বলেন, সিটি করপোরেশন বা পুলিশের পক্ষে সার্বক্ষণিক পাহারা দেওয়া সম্ভব নয়। আমরা একদিকে গাছ লাগাবো আর অন্য কেউ তা ছিঁড়ে ফেলবে— এমনটি হলে সুফল আসবে না। নগরবাসীকে শপথ নিতে হবে, ডাস্টবিন ছাড়া কোথাও আবর্জনা ফেলবো না এবং পরিবেশ রক্ষায় দায়িত্বশীল থাকব।
ডিএসসিসি প্রশাসক তার বক্তব্যে আগামী দিনের পরিকল্পনা তুলে ধরে বলেন, এক মাসের মধ্যে বর্তমান প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন হবে। পরবর্তী ধাপে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকা ও লেক কেন্দ্রিক নান্দনিক পরিবেশ গড়ে তোলা হবে। পর্যায়ক্রমে পুরো ঢাকা শহরে এই সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।