প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে পুনর্বহালের দাবিতে কিয়েভে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে পুনর্বহালের দাবিতে হাজারো মানুষ বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। শুক্রবার শহরের কেন্দ্রস্থলে আয়োজিত এই বিক্ষোভের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির কাছে নিজেদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা। খবর রয়টার্সের।  চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুদ্ধকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়া ফেদোরভকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি এক আকস্মিক মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের মাধ্যমে পদচ্যুত করা হয়। তার অপসারণের সুনির্দিষ্ট কারণ সরকার ব্যাখ্যা না করায় জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়। এরপর থেকেই প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সামনে নিয়মিত বিক্ষোভ করে আসছেন তার সমর্থকেরা। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আইটি খাতের কর্মী ৪০ বছর বয়সী ওলেক্সান্দর বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর যদি তার ব্যাখ্যা না দেওয়া হয়, সেটি আমি মেনে নিতে পারি না। প্রথমদিকে জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কির সঙ্গে গুরুতর মতবিরোধের কারণেই ফেদোরভকে সরানো হয়েছে। তবে এক সপ্তাহ পর জনচাপের মুখে সিরস্কিকেও দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা হলে এ ব্যাখ্যা নিয়ে নতুন প্রশ্ন ওঠে। এদিকে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা খাতে কথি

প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে পুনর্বহালের দাবিতে কিয়েভে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে প্রতিরক্ষামন্ত্রী মিখাইলো ফেদোরভকে পুনর্বহালের দাবিতে হাজারো মানুষ বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। শুক্রবার শহরের কেন্দ্রস্থলে আয়োজিত এই বিক্ষোভের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির কাছে নিজেদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন আন্দোলনকারীরা। খবর রয়টার্সের। 

চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুদ্ধকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়া ফেদোরভকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি এক আকস্মিক মন্ত্রিসভা পুনর্গঠনের মাধ্যমে পদচ্যুত করা হয়। তার অপসারণের সুনির্দিষ্ট কারণ সরকার ব্যাখ্যা না করায় জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়। এরপর থেকেই প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ের সামনে নিয়মিত বিক্ষোভ করে আসছেন তার সমর্থকেরা।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আইটি খাতের কর্মী ৪০ বছর বয়সী ওলেক্সান্দর বলেন, কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর যদি তার ব্যাখ্যা না দেওয়া হয়, সেটি আমি মেনে নিতে পারি না।

প্রথমদিকে জেলেনস্কি দাবি করেছিলেন, তৎকালীন সেনাপ্রধান ওলেক্সান্দর সিরস্কির সঙ্গে গুরুতর মতবিরোধের কারণেই ফেদোরভকে সরানো হয়েছে। তবে এক সপ্তাহ পর জনচাপের মুখে সিরস্কিকেও দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা হলে এ ব্যাখ্যা নিয়ে নতুন প্রশ্ন ওঠে।

এদিকে, ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা খাতে কথিত দুর্নীতিবিরোধী উদ্যোগের কারণেই ফেদোরভকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, এমন জল্পনাও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ফেদোরভ পরোক্ষভাবে সেই দাবির ইঙ্গিত দিলেও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

শুক্রবারের বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা কিয়েভের ঐতিহাসিক কেন্দ্র হয়ে রাজধানীর প্রধান সড়ক খ্রেশচাতিকে সমবেত হন। তাদের অনেকের মতে, যুদ্ধ চলাকালে সেনাবাহিনীর প্রযুক্তিগত আধুনিকায়নে ফেদোরভের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ এবং তাকে ছাড়া সেই অগ্রগতি ব্যাহত হতে পারে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি এখন পর্যন্ত তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো ইঙ্গিত দেননি। তিনি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রধান ইয়েভহেনি খমারাকে ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। ইউক্রেনের আইন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পদটি একটি বেসামরিক পদ।

কিয়েভভিত্তিক ইউরোপিয়ান পলিসি ইনস্টিটিউটের পরিচালক মাত্তেও মেকাচ্চি মনে করেন, নতুন শীর্ষ সামরিক কমান্ডার হিসেবে মিখাইলো দ্রাপাতিইর নিয়োগ কিছু মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে, তবে সবার উদ্বেগ দূর হবে না।

সূত্র: রয়টার্স

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow