প্রধানমন্ত্রীর সফরে ফটিকছড়ি-হাটহাজারীতে উৎসবের আমেজ
‘প্রধানমন্ত্রী আসছেন’ চায়ের দোকান থেকে বাজারের আড্ডা, বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রামের মোড়; ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একটাই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রোববার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রাম সফরকে ঘিরে দুই উপজেলায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। সফরে প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদরাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারীতে গিয়ে হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও প্রয়াত আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীর কবর জিয়ারত এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। দুপুরের পর ফটিকছড়িতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে বিমান বাহিনীর এমআই-১৭ হেলিকপ্টারে করে কক্সবাজারের মহেশখালী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে দিনের প্রথম দিকের কর্মসূচি শেষে দুপুরের পর তার চট্টগ্রামের
‘প্রধানমন্ত্রী আসছেন’ চায়ের দোকান থেকে বাজারের আড্ডা, বাসস্ট্যান্ড থেকে গ্রামের মোড়; ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীতে এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একটাই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রোববার (৯ আগস্ট) চট্টগ্রাম সফরকে ঘিরে দুই উপজেলায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।
সফরে প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদরাসায় হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর হাটহাজারীতে গিয়ে হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও প্রয়াত আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীর কবর জিয়ারত এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
দুপুরের পর ফটিকছড়িতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী
আজ সকালে বিমান বাহিনীর এমআই-১৭ হেলিকপ্টারে করে কক্সবাজারের মহেশখালী পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে দিনের প্রথম দিকের কর্মসূচি শেষে দুপুরের পর তার চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পৌঁছাবেন বলে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রীর হেলিকপ্টার অবতরণের জন্য ফটিকছড়ির পাইন্দং ইউনিয়নের পেলাগাজীর দিঘী সিএনবি মাঠে হেলিপ্যাড প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফটিকছড়ি বাসস্ট্যান্ড, বিবিরহাট বাজার, চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং নাজিরহাট হালদা নদীর ওপর নির্মিত নতুন সেতু এলাকাতেও চলছে নানা প্রস্তুতি।
ফটিকছড়ির বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য যাতায়াত পথে ময়লা-আবর্জনা ও আগাছা পরিষ্কার করা হয়েছে। কোথাও ফুটপাত দখলমুক্ত করা হয়েছে, কোথাও চলছে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ। যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। সড়ক ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কারও করা হয়েছে।
বাবুনগর মাদরাসায় প্রস্তুতি, বৈঠক ঘিরে আগ্রহ
ফটিকছড়ির বাবুনগর মাদরাসায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সৌজন্য সাক্ষাৎকে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মাদরাসা প্রাঙ্গণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, প্রবেশপথ সংস্কার, সাজসজ্জা ও নিরাপত্তাব্যবস্থার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
বাঁশখালীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী বাবুনগর মাদরাসায় যাবেন। সেখানে হেফাজতে ইসলামের আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পাশাপাশি সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের প্রায় ৫০ জন নেতার সঙ্গে মতবিনিময়ের কথা রয়েছে।
হেফাজতে ইসলামের পক্ষ থেকে এ সাক্ষাৎকে অরাজনৈতিক সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সাক্ষাতের সুযোগে ফটিকছড়ির স্থানীয় উন্নয়ন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার প্রস্তুতি নিয়েছেন স্থানীয় নেতারা।
স্থানীয়ভাবে সরকারি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা, কয়েকটি কলেজ সরকারিকরণ, স্থানীয় জনগণের জন্য গ্যাস-সুবিধা নিশ্চিত করা, চা ও রাবারবাগানে গ্যাস-সংযোগ এবং খাসজমিতে শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার দাবিগুলো তুলে ধরার প্রস্তুতি রয়েছে।
বরণে প্রস্তুত বিএনপি নেতাকর্মীরা
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে ফটিকছড়ির ইউনিয়ন, পৌরসভা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পেলাগাজীর দিঘী থেকে বিভিন্ন পয়েন্টে সড়কের দুই পাশে নেতা-কর্মীরা অবস্থান নেবেন। নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে বিভিন্ন স্থানে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম ফটিকছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি সাইফুদ্দিন সুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ফটিকছড়িবাসীর জন্য গৌরবের। এটি আমাদের উপজেলার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফটিকছড়ির সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীরের নেতৃত্বে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে পুরোপুরি প্রস্তুত।
ফটিকছড়ি আসনের সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর বলেন, ফটিকছড়িবাসী প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করে নিতে পুরোপুরি প্রস্তুত। তার আগমনকে ঘিরে মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফটিকছড়িবাসীর এই উচ্ছ্বাস ও আবেগে আমিও আপ্লুত।
স্থানীয় উন্নয়ন নিয়ে যত প্রত্যাশা
প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে স্থানীয় মানুষের মধ্যেও রয়েছে নানা প্রত্যাশা। তাদের অন্যতম দাবি ফটিকছড়িতে একটি সরকারি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করা।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ফটিকছড়িতে রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ চা-বাগান, রাবারবাগান ও সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র। প্রাকৃতিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও গত কয়েক দশকে এখানে উল্লেখযোগ্য শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। ফলে স্থানীয়ভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগও প্রত্যাশিত মাত্রায় বাড়েনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র থেকে উত্তোলিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলেও ফটিকছড়ির মানুষ এখনো গ্যাস-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পাশাপাশি প্রবাসী অধ্যুষিত এ উপজেলায় একটি পূর্ণাঙ্গ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (টিটিসি) প্রতিষ্ঠার দাবিও দীর্ঘদিনের।
স্থানীয় নেতাদের পক্ষ থেকে খাসজমিতে শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠা, চা ও রাবারবাগানে গ্যাস-সংযোগ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এবং যোগাযোগব্যবস্থা আরও আধুনিক করার দাবিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরার প্রস্তুতি রয়েছে।
হাটহাজারীতেও প্রস্তুতি
ফটিকছড়ির কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে হাটহাজারীর উদ্দেশে রওয়ানা দেবেন বলে জানা গেছে। সেখানে আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদরাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফী ও প্রয়াত আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীর কবর জিয়ারত করার কথা রয়েছে।
এরপর হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে ঘর নির্মাণে আর্থিক সহায়তা এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে সহায়তা বিতরণের কর্মসূচি রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে হাটহাজারীর বিভিন্ন সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায়ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সড়ক সংস্কার, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
প্রশাসনের প্রস্তুতি
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সফরস্থল, হেলিপ্যাড, যাতায়াতপথ ও আশপাশের এলাকায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা, যোগাযোগ, চিকিৎসা ও অন্যান্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। সফরস্থল ও কর্মসূচির সব আয়োজন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার চেষ্টা চলছে।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের চলাচলে যাতে বড় ধরনের ভোগান্তি না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় কর্মসূচি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি সমন্বয় করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থল, হেলিপ্যাড ও প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য যাতায়াতপথে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আমরা কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য মোতায়েন করা হবে।
স্থানীয় ঐতিহ্যও তুলে ধরার প্রস্তুতি
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে শুধু রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আয়োজন নয়, ফটিকছড়ির স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিও তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চা ও রাবারশিল্পের সঙ্গে যুক্ত শ্রমিকদের জীবনযাপন, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরার প্রস্তুতি রয়েছে।
উপজেলা শ্রমিক দলের দপ্তর সম্পাদক মো. আমিনুল হক সুমন বলেন, আমাদের কর্মীরা নিজ উদ্যোগে রাস্তাঘাট পরিষ্কার ও সজ্জিত করছেন। এই প্রস্তুতিই প্রমাণ করে, ফটিকছড়িবাসী প্রধানমন্ত্রীকে কীভাবে বরণ করে নিতে চায়।
নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা বাবুনগর মাদরাসা
আজ সকাল থেকেই বাবুনগর মাদরাসা ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রশাসনের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছেন। মাদরাসায় প্রবেশ ও বের হওয়ার পথেও বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরাও সফরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন প্রস্তুতি নিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রী ও আলেম সমাজের প্রতিনিধিদের এই সাক্ষাৎ পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নেবে।
উন্নয়ন ও জনস্বার্থে নজর স্থানীয়দের
স্থানীয়দের আশা, সফরটি শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং শিক্ষা, যোগাযোগ, গ্যাস, শিল্প, কর্মসংস্থান ও বন্যা-পরবর্তী পুনর্বাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে গুরুত্ব পাবে।
সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে ফটিকছড়ি-হাটহাজারীতে এখন যেন সাজ সাজ রব। চায়ের আড্ডা থেকে বাজার, রাজপথ থেকে মাদরাসা প্রাঙ্গণ-সবখানেই আলোচনার বিষয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর। আর উৎসবের এই আবহের পাশাপাশি স্থানীয়দের চোখ এখন উন্নয়ন ও দীর্ঘদিনের দাবির দিকে।
তাদের প্রত্যাশা, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলবে।
এমআরএএইচ/এসএনআর
What's Your Reaction?

