ফটিকছড়িতে গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কাঠুরের মৃত্যু
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার পূর্ব ফরহাদাবাদ এলাকায় গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জামাল আলম (২৬) নামে এক কাঠুরের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত জামাল আলম নবগঠিত উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়নের আছিয়া চা বাগান এলাকার বাসিন্দা মানু মিয়ার ছেলে। তিনি দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে গাছ কাটার কাজ করে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন। আরও পড়ুন বৃষ্টির পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তার মৃত্যু পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে পূর্ব ফরহাদাবাদ এলাকায় একটি বড় গাছ কাটার সময় গাছের একটি ডাল পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারের ওপর পড়ে। এতে পুরো গাছে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে জামাল আলম স্পৃষ্ট হন। গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. কামরুল হাসান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই জামাল আলমের মৃত্যু হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আরও পড়ুন
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার পূর্ব ফরহাদাবাদ এলাকায় গাছ কাটার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে জামাল আলম (২৬) নামে এক কাঠুরের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জামাল আলম নবগঠিত উত্তর ফটিকছড়ি উপজেলার ভূজপুর ইউনিয়নের আছিয়া চা বাগান এলাকার বাসিন্দা মানু মিয়ার ছেলে। তিনি দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে গাছ কাটার কাজ করে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করতেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে পূর্ব ফরহাদাবাদ এলাকায় একটি বড় গাছ কাটার সময় গাছের একটি ডাল পাশ দিয়ে যাওয়া বিদ্যুতের তারের ওপর পড়ে। এতে পুরো গাছে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে জামাল আলম স্পৃষ্ট হন। গুরুতর অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. কামরুল হাসান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই জামাল আলমের মৃত্যু হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঘটনাস্থলের খুব কাছ দিয়ে বিদ্যুতের লাইন চলে গেছে। গাছ কাটার আগে বিদ্যুৎ সংযোগ সাময়িক বন্ধ করা বা প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হলে এ দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব ছিল।
পারিবারিক সূত্র জানায়, জামাল আলমই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তিনি স্ত্রী ও চার সন্তান রেখে গেছেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে এবং এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এমআরএএইচ/ইএ
What's Your Reaction?

