ফরিদপুর বিআরটিএ অফিসে দুর্নীতির অভিযোগে বিক্ষোভ
ফরিদপুর বিআরটিএ কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, সাময়িক বরখাস্ত এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (০৪ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিত স্মারকলিপি জমা দেন আন্দোলনকারীরা। স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ফরিদপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে অনিয়ম-দুর্নীতি চলছে। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয় এবং প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়। এতে জনভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। আরও বলা হয়, নিজের অনিয়ম আড়াল করতে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করছেন। ফলে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছে, অনেকেই প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সমাজকর্মী খায়রুল রোমান বলেন, “যেখানে তিনি দায়িত্ব পালন করেন, সেখানেই দুর্নীতির অ
ফরিদপুর বিআরটিএ কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা কথিত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, সাময়িক বরখাস্ত এবং নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (০৪ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে লিখিত স্মারকলিপি জমা দেন আন্দোলনকারীরা।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিন ধরে ফরিদপুর বিআরটিএ কার্যালয়ে মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে অনিয়ম-দুর্নীতি চলছে। সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষকে ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয় এবং প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়। এতে জনভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
আরও বলা হয়, নিজের অনিয়ম আড়াল করতে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করছেন। ফলে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে রয়েছে, অনেকেই প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া সমাজকর্মী খায়রুল রোমান বলেন, “যেখানে তিনি দায়িত্ব পালন করেন, সেখানেই দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ফরিদপুরেও একই চিত্র। এখন নিজের অপকর্ম ঢাকতে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে আমরা কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবো।”
স্মারকলিপিতে চার দফা দাবি জানানো হয়—প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত, নিরপেক্ষ ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে চাকরিচ্যুত করে আইনগত শাস্তি নিশ্চিত করা। পাশাপাশি বিআরটিএ কার্যালয়কে দালালমুক্ত ও স্বচ্ছ সেবাকেন্দ্রে রূপান্তরের দাবি তোলা হয়।
আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত দাবি বাস্তবায়ন না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ইতোমধ্যে স্মারকলিপির অনুলিপি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
What's Your Reaction?