‘ফুটপাত-অনলাইনে বিক্রি ভাগ হয়ে যাওয়ায় মার্কেটে ক্রেতা কম’

দেশের মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হবে আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ মে)। উৎসবের আগের শেষ শুক্রবারেও রাজধানীর মিরপুরের বিপণিবিতানগুলোতে আশানুরূপ ক্রেতা দেখা যায়নি। এতে হতাশ ব্যবসায়ীরা। আজ মিরপুর-১১ নম্বরের নান্নু মার্কেট, আলম মার্কেট ও মোহাম্মাদিয়া মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে- পোশাক, জুতা, গহনা, প্রসাধনী ও শিশুদের খেলনা থেকে শুরু করে গৃহস্থালির বিভিন্ন পণ্যের দোকান খোলা থাকলেও তেমন ক্রেতা ছিল না। বিক্রেতারা অলস সময় কাটাচ্ছিলেন। বিক্রেতারা জানান, অল্প যে কয়েকজন ক্রেতা আসছেন তাদের মধ্যে নারী ও তরুণীরা দেশীয় শাড়ি, থ্রি-পিস, গাউন এবং পাকিস্তানি ও ভারতীয় ডিজাইনের পোশাক দেখছেন বেশি। অন্যদিকে পুরুষদের জন্য পাঞ্জাবি, শার্ট ও জুতা বিক্রি হচ্ছে কিছুটা। মোহাম্মাদিয়া মার্কেটের জুতা ব্যবসায়ী শাওন আলম বলেন, ‘বেচাকেনা একদম ডাউন। এ বাজারে আমাদের তিনটা দোকান। সবগুলোতেই বিক্রির অবস্থা ভালো না। ঈদের আগে শেষ শুক্রবার, অথচ সকাল-বিকেল কোনো ক্রেতা নেই।’ নান্নু মার্কেটের পোশাক বিক্রেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘গার্মেন্টসসহ অনেক শিল্পকারখানায় এখনো ঈদের বেতন হয়নি। মানুষের হাতে টাকা নেই। তাই তারা

‘ফুটপাত-অনলাইনে বিক্রি ভাগ হয়ে যাওয়ায় মার্কেটে ক্রেতা কম’

দেশের মুসলমানদের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্‌যাপিত হবে আগামী বৃহস্পতিবার (২৮ মে)। উৎসবের আগের শেষ শুক্রবারেও রাজধানীর মিরপুরের বিপণিবিতানগুলোতে আশানুরূপ ক্রেতা দেখা যায়নি। এতে হতাশ ব্যবসায়ীরা।

আজ মিরপুর-১১ নম্বরের নান্নু মার্কেট, আলম মার্কেট ও মোহাম্মাদিয়া মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে- পোশাক, জুতা, গহনা, প্রসাধনী ও শিশুদের খেলনা থেকে শুরু করে গৃহস্থালির বিভিন্ন পণ্যের দোকান খোলা থাকলেও তেমন ক্রেতা ছিল না। বিক্রেতারা অলস সময় কাটাচ্ছিলেন।

বিক্রেতারা জানান, অল্প যে কয়েকজন ক্রেতা আসছেন তাদের মধ্যে নারী ও তরুণীরা দেশীয় শাড়ি, থ্রি-পিস, গাউন এবং পাকিস্তানি ও ভারতীয় ডিজাইনের পোশাক দেখছেন বেশি। অন্যদিকে পুরুষদের জন্য পাঞ্জাবি, শার্ট ও জুতা বিক্রি হচ্ছে কিছুটা।

মোহাম্মাদিয়া মার্কেটের জুতা ব্যবসায়ী শাওন আলম বলেন, ‘বেচাকেনা একদম ডাউন। এ বাজারে আমাদের তিনটা দোকান। সবগুলোতেই বিক্রির অবস্থা ভালো না। ঈদের আগে শেষ শুক্রবার, অথচ সকাল-বিকেল কোনো ক্রেতা নেই।’

‘ফুটপাত-অনলাইনে বিক্রি ভাগ হয়ে যাওয়ায় মার্কেটে ক্রেতা কম’

নান্নু মার্কেটের পোশাক বিক্রেতা আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘গার্মেন্টসসহ অনেক শিল্পকারখানায় এখনো ঈদের বেতন হয়নি। মানুষের হাতে টাকা নেই। তাই তারা মন খুলে কেনাকাটা করতে পারছেন না।’

লামিয়া ফ্যাশনের বিক্রয়কর্মী মোস্তফা বলেন, বেচাকেনা কম এখন। সামান্য লাভ রেখে জামা বিক্রি করছি। ফুটপাত ও অনলাইনে বিক্রি ভাগাভাগি হয়ে যাওয়ায় মার্কেটে ক্রেতা কমে গেছে। এছাড়া, কোরবানির পশু কিনতেই মানুষের বড় অঙ্কের টাকা খরচ হয়। তাই পোশাক বা জুতা কেনাকাটায় আগ্রহ কম।’

তিনি জানান, ছেলেদের শার্ট ৮০০ থেকে দুই হাজার টাকায় আর প্যান্ট ৮০০ থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কেনাকাটা করতে আসা মুনা নামের একজন বলেন, ‘আমি মায়ের সঙ্গে এসেছি। নিজের পছন্দমতো একটি ফ্রক কিনেছি।’

পোশাকশ্রমিক সোনিয়া বেগম বলেন, ‘আমাদের মতো মানুষের জন্য সবকিছুই এখন সাধ্যের বাইরে। তারপরও পরিবারের সবার জন্য কিছু কেনার চেষ্টা করছি। রোজার ঈদে বাবা-মা ও ভাইয়ের জন্য কেনাকাটা করেছি। এই ঈদেও কিছুটা কেনার চেষ্টা করছি।’

এসএম/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow