‘ফুটবল পৃথিবীর সর্বজনীন ভাষা, একত্রিত হওয়ার প্রতীক’

দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে গাজায় চলমান যুদ্ধের মধ্যে সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো যেমন পানি, পয়ঃনিষ্কাশন, সড়ক, বিদ্যুৎ এবং খাদ্য যথাযথভাবে পূরণ হচ্ছে না। এরই মধ্যে গাজায় একটি নতুন জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। এই প্রতিশ্রুতি এসেছে ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বোর্ড অব পিসের প্রথম বৈঠকে, যেখানে ৯টি দেশ গাজার পুনর্গঠনে ৭ বিলিয়ন ডলার দেয়ার অঙ্গীকার করেছে এবং আরও ৫টি দেশ আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। বৈঠকে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘আমাদের শুধু ঘরবাড়ি, স্কুল, হাসপাতাল বা রাস্তা নির্মাণ করা যথেষ্ট নয়, বরং আমাদের মানুষের আবেগ, আশা এবং আস্থাও পুনর্গঠন করতে হবে। ফুটবল নিয়ে আমি কাজ করব। ফুটবল বা সকার, যা পৃথিবীর সর্বজনীন ভাষা, এটি আশা, আনন্দ, সুখ এবং একত্রিত হওয়ার প্রতীক।’ ফিফা ৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ২০ থেকে ২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষম একটি নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং ১৫ মিলিয়ন ডলারে একটি ফিফা একাডেমি গড়ার কথা ঘোষণা করেছে। এছাড়া ৫০টি মিনি পিচ (টার্ফ) নির্মাণে ২৫

‘ফুটবল পৃথিবীর সর্বজনীন ভাষা, একত্রিত হওয়ার প্রতীক’

দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে গাজায় চলমান যুদ্ধের মধ্যে সাধারণ মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো যেমন পানি, পয়ঃনিষ্কাশন, সড়ক, বিদ্যুৎ এবং খাদ্য যথাযথভাবে পূরণ হচ্ছে না। এরই মধ্যে গাজায় একটি নতুন জাতীয় ফুটবল স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

এই প্রতিশ্রুতি এসেছে ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বোর্ড অব পিসের প্রথম বৈঠকে, যেখানে ৯টি দেশ গাজার পুনর্গঠনে ৭ বিলিয়ন ডলার দেয়ার অঙ্গীকার করেছে এবং আরও ৫টি দেশ আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে সেনা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে।

বৈঠকে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘আমাদের শুধু ঘরবাড়ি, স্কুল, হাসপাতাল বা রাস্তা নির্মাণ করা যথেষ্ট নয়, বরং আমাদের মানুষের আবেগ, আশা এবং আস্থাও পুনর্গঠন করতে হবে। ফুটবল নিয়ে আমি কাজ করব। ফুটবল বা সকার, যা পৃথিবীর সর্বজনীন ভাষা, এটি আশা, আনন্দ, সুখ এবং একত্রিত হওয়ার প্রতীক।’

ফিফা ৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে ২০ থেকে ২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষম একটি নতুন স্টেডিয়াম নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং ১৫ মিলিয়ন ডলারে একটি ফিফা একাডেমি গড়ার কথা ঘোষণা করেছে। এছাড়া ৫০টি মিনি পিচ (টার্ফ) নির্মাণে ২৫ লাখ ডলার এবং ৫টি পূর্ণাঙ্গ মাঠ নির্মাণে ১০ লাখ ডলার ব্যয় করবে।

গাজার নিজস্ব কোনো জাতীয় ফুটবল দল নেই, তবে গাজা ও পশ্চিম তীর মিলিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ ফিলিস্তিন জাতীয় ফুটবল দল রয়েছে, যা ১৯৯৮ সাল থেকে ফিফার স্বীকৃত। তবে তারা কখনো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow