ফুটবল সাফল্যের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি: নেইমার

বিশ্বকাপ ফুটবলে কী খেলতে পারবেন নেইমার? এখনও পুরোপুরি অনিশ্চিত। কোচ কর্লো আনচেলত্তি তাকে দলে রাখবেন কি না, পুরোপুরি অনিশ্চিত। এরই মধ্যে নিজের ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এবং জানিয়েছেন, পেশাদার ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে তাকে কৈশোরেই অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। বর্তমানে সান্তোসের হয়ে খেলা এই ব্রাজিলিয়ান তারকা নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছেন জীবনের অজানা দিকগুলো। নেইমার জানান, খুব অল্প বয়স থেকেই তাকে স্বাভাবিক জীবন থেকে অনেক কিছু ছাড়তে হয়েছে। ‘আমি তখন ১৩-১৪ বছরের। স্কুলের বন্ধুদের মতো কোথাও ঘুরতে যাওয়া, সিনেমা দেখা- এসব কিছুই করতে পারতাম না। কারণ পরদিন সকালে অনুশীলন থাকত’- বলেন তিনি। তিনি আরও যোগ করেন, ‘বন্ধুরা যখন আনন্দ করত, আমি তখন বাসায় ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। খারাপ লাগত, বিরক্ত হতাম। কিন্তু আমি জানতাম, এর পেছনে একটা লক্ষ্য আছে। পরদিন মাঠে নামলেই আবার সব ঠিক হয়ে যেত।’ বিশ্বজুড়ে খ্যাতি, অর্থ ও সাফল্য পেলেও এই জীবন যে সবসময় সহজ নয়, সেটিও স্বীকার করেছেন নেইমার। তার ভাষায়, ‘২০ বছর ধরে আমি এই জীবনে আছি। এটা একজন ফুটবলারের মূল্য।

ফুটবল সাফল্যের জন্য অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছি: নেইমার

বিশ্বকাপ ফুটবলে কী খেলতে পারবেন নেইমার? এখনও পুরোপুরি অনিশ্চিত। কোচ কর্লো আনচেলত্তি তাকে দলে রাখবেন কি না, পুরোপুরি অনিশ্চিত। এরই মধ্যে নিজের ফুটবল ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলো নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন এবং জানিয়েছেন, পেশাদার ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে তাকে কৈশোরেই অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। বর্তমানে সান্তোসের হয়ে খেলা এই ব্রাজিলিয়ান তারকা নিজের ইউটিউব চ্যানেলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তুলে ধরেছেন জীবনের অজানা দিকগুলো।

নেইমার জানান, খুব অল্প বয়স থেকেই তাকে স্বাভাবিক জীবন থেকে অনেক কিছু ছাড়তে হয়েছে। ‘আমি তখন ১৩-১৪ বছরের। স্কুলের বন্ধুদের মতো কোথাও ঘুরতে যাওয়া, সিনেমা দেখা- এসব কিছুই করতে পারতাম না। কারণ পরদিন সকালে অনুশীলন থাকত’- বলেন তিনি।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘বন্ধুরা যখন আনন্দ করত, আমি তখন বাসায় ছাদের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। খারাপ লাগত, বিরক্ত হতাম। কিন্তু আমি জানতাম, এর পেছনে একটা লক্ষ্য আছে। পরদিন মাঠে নামলেই আবার সব ঠিক হয়ে যেত।’

বিশ্বজুড়ে খ্যাতি, অর্থ ও সাফল্য পেলেও এই জীবন যে সবসময় সহজ নয়, সেটিও স্বীকার করেছেন নেইমার। তার ভাষায়, ‘২০ বছর ধরে আমি এই জীবনে আছি। এটা একজন ফুটবলারের মূল্য। বিশেষ করে ব্রাজিলে বিষয়টা খুব কঠিন। মানুষ আপনাকে বিচার করে, সমালোচনা করে- কিন্তু তারা বোঝে না যে আমরাও মানুষ।’

সাম্প্রতিক সময়ে চোটের সঙ্গে লড়াই তার ক্যারিয়ারকে কঠিন করে তুলেছে। নেইমার বলেন, ‘আমিও কষ্ট পাই, ব্যথা অনুভব করি, খারাপ মুডে ঘুম থেকে উঠি, কাঁদি, রাগ করি, আবার আনন্দও পাই- এগুলো স্বাভাবিক। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমি কেন স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারব না?’

সমালোচনার বিষয়টিও তাকে প্রভাবিত করে বলে জানিয়েছেন এই তারকা। ‘মানুষ আমাকে অপছন্দ করে- এটা দেখলে খারাপ লাগে। মনে হয় আমি কোনো ভুল করতে পারি না। অথচ আমি অনেক ভুল করেছি, এখনও করছি, ভবিষ্যতেও করব। এটা জীবনেরই অংশ’- বলেন তিনি।

৩৪ বছর বয়সী নেইমার ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা, জাতীয় দলের হয়ে তার গোল ৭৯টি। তিনি তিনটি বিশ্বকাপে খেলেছেন। তবে ২০২৩ সালের অক্টোবরে গুরুতর হাঁটুর চোট (এসিএল ও মেনিস্কাস) পাওয়ার পর থেকে জাতীয় দলে আর খেলা হয়নি তার।

চোট কাটিয়ে মাঠে ফিরলেও এখনও পুরোপুরি ফর্মে ফিরতে পারেননি নেইমার। ফলে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি তাকে আসন্ন বিশ্বকাপ দলে অন্তর্ভুক্ত করেননি।

সব মিলিয়ে, সাফল্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা কঠিন বাস্তবতা এবং ব্যক্তিগত সংগ্রামের গল্পই এবার তুলে ধরলেন ব্রাজিলের এই সুপারস্টার।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow