ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত নবনির্বাচিত এমপি আবুল কালাম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল কালাম। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে তিনি এই সাফল্য অর্জন করেন। নির্বাচন পরবর্তী ফলাফল অনুযায়ী, মো. আবুল কালাম (পোস্টাল ব্যালট ছাড়া) পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ১০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী ডা. সৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৫৪ ভোট। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই মনোহরগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় করেন। দিনব্যাপী চলে মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ উল্লাস। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে মো. আবুল কালামকে বরণ করে নেন। ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে মো. আবুল কালাম নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যারা আমার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেছেন, আমি তাদের সবার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা কয়েকদিন ধরে যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আমি আ

ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত নবনির্বাচিত এমপি আবুল কালাম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে জয়লাভ করেছেন বিএনপি মনোনীত ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল কালাম। ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে তিনি এই সাফল্য অর্জন করেন।

নির্বাচন পরবর্তী ফলাফল অনুযায়ী, মো. আবুল কালাম (পোস্টাল ব্যালট ছাড়া) পেয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ১০৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী ডা. সৈয়দ এ কে এম সরওয়ার উদ্দিন ছিদ্দিকী পেয়েছেন ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৫৪ ভোট।

নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই মনোহরগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে শুভেচ্ছা জানাতে ভিড় করেন। দিনব্যাপী চলে মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ উল্লাস। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে মো. আবুল কালামকে বরণ করে নেন।

ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হয়ে মো. আবুল কালাম নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যারা আমার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করেছেন, আমি তাদের সবার প্রতি চিরকৃতজ্ঞ। আপনারা কয়েকদিন ধরে যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, আমি আগামী পাঁচ বছর কাজের মাধ্যমে তার প্রতিদান দেব। লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলার সব সমস্যা সমাধানে আমার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ইলিয়াস পাটোয়ারী, সহ-সভাপতি শাহ সুলতান খোকন, লাকসাম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান বাদল, লাকসাম পৌরসভা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মজির আহমেদ, মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক সরওয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন ও তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মো. শাহজাহান।

এছাড়াও মনোহরগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক রহমত উল্লাহ জিকু, যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ও বাহারুল আলম বাবর, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনজুরুল ইসলাম মঞ্জু, খিলা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব জাকির হোসেন ভোলন, যুবদল নেতা মো. আরিফুর রহমান ও মো. পিরোজ, এবং উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব নূর মোহাম্মদ মেহেদীসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় পর্যায়ের অসংখ্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow