ফোনালাপের সূত্র ধরে প্রবাসীর বাড়ি থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

ভোলার দৌলতখানে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) উপজেলার চর কলিফা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের এক প্রবাসীর বাড়ির বাথরুমের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত লিটন (৩৩) ওই এলাকার নায়েব বাড়ির হারুনের ছেলে এবং দুই সন্তানের জনক। পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মার্চ রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি লিটন। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি থানায় জানানোর পর পুলিশ লিটনের মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং শুরু করে। ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায়, নিখোঁজ হওয়ার আগে প্রবাসী মুসলেউদ্দিনের স্ত্রী ইয়াসমিনের সঙ্গে লিটনের প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয়েছিল। এই তথ্যের সূত্র ধরে শুক্রবার দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সিকদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ওই প্রবাসীর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। এক পর্যায়ে বাড়ির বাথরুমের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে লিটনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ভোলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত লিটনের স্ত্রী রিনা (৩০) কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, যারা আমার স্বামীকে হত্যা করে আমাকে

ফোনালাপের সূত্র ধরে প্রবাসীর বাড়ি থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার

ভোলার দৌলতখানে নিখোঁজ হওয়ার তিনদিন পর এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) উপজেলার চর কলিফা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের এক প্রবাসীর বাড়ির বাথরুমের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত লিটন (৩৩) ওই এলাকার নায়েব বাড়ির হারুনের ছেলে এবং দুই সন্তানের জনক।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ মার্চ রাতে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফেরেননি লিটন। পরিবারের পক্ষ থেকে বিষয়টি থানায় জানানোর পর পুলিশ লিটনের মোবাইল ফোন ট্র্যাকিং শুরু করে। ট্র্যাকিংয়ে দেখা যায়, নিখোঁজ হওয়ার আগে প্রবাসী মুসলেউদ্দিনের স্ত্রী ইয়াসমিনের সঙ্গে লিটনের প্রায় ৪০ মিনিট কথা হয়েছিল।

এই তথ্যের সূত্র ধরে শুক্রবার দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সিকদারের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ওই প্রবাসীর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। এক পর্যায়ে বাড়ির বাথরুমের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে লিটনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ভোলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত লিটনের স্ত্রী রিনা (৩০) কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, যারা আমার স্বামীকে হত্যা করে আমাকে বিধবা ও সন্তানদের এতিম করেছে, আমি তাদের ফাঁসি চাই।

নিহতের মা সাজেদা বেগমও তার ছেলের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে প্রবাসী মুসলেউদ্দিনের স্ত্রী ইয়াসমিন ঘর তালাবদ্ধ করে পালিয়ে গেছেন। বর্তমানে প্রবাসীর বাড়ির ঘরটি তালাবদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

দৌলতখান থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম সিকদার জানান, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং হত্যার রহস্য উদ্‌ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow