বরগুনায় কোটি টাকার রেনুপোনা জব্দ, নদীতে অবমুক্ত
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এন এস আই) বরগুনা কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে বরগুনায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেনুপোনা জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত রেনুপোনা পরে বিষখালী নদীতে অবমুক্ত করা হয়। শুক্রবার (২২ মে) রাত আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনা সদর উপজেলার বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালায় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। এ সময় দুটি ট্রাক থেকে মোট ২২৭টি ড্রামে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ রেনুপোনা জব্দ করা হয়। জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জব্দকৃত রেনুপোনার সংখ্যা প্রায় ২২ থেকে ২৫ লাখ, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৭০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা। পরে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এনডিসি সাইফুল ইসলামের উপস্থিতিতে রেনুপোনাগুলো বিষখালী নদীতে অবমুক্ত করা হয়। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুটি ট্রাকভর্তি অবৈধ রেনুপোনা জব্দ করা হয়েছে। এগুলো নদী থেকে প্রাকৃতিকভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সেগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়। তিনি আরও বলেন, নদী থেকে প্রাক
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এন এস আই) বরগুনা কার্যালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে বরগুনায় বিপুল পরিমাণ অবৈধ গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেনুপোনা জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত রেনুপোনা পরে বিষখালী নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
শুক্রবার (২২ মে) রাত আড়াইটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরগুনা সদর উপজেলার বড়ইতলা ফেরিঘাট এলাকায় অভিযান চালায় প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। এ সময় দুটি ট্রাক থেকে মোট ২২৭টি ড্রামে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ রেনুপোনা জব্দ করা হয়।
জেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জব্দকৃত রেনুপোনার সংখ্যা প্রায় ২২ থেকে ২৫ লাখ, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৭০ লাখ থেকে ১ কোটি টাকা। পরে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এনডিসি সাইফুল ইসলামের উপস্থিতিতে রেনুপোনাগুলো বিষখালী নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুটি ট্রাকভর্তি অবৈধ রেনুপোনা জব্দ করা হয়েছে। এগুলো নদী থেকে প্রাকৃতিকভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সেগুলো নদীতে অবমুক্ত করা হয়।
তিনি আরও বলেন, নদী থেকে প্রাকৃতিকভাবে চিংড়ির পোনা আহরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একটি চিংড়ি পোনা ধরার সময় প্রায় ৪৯৮টি অন্যান্য মাছ ও জলজ প্রাণীর পোনা নষ্ট হয়, যা পরিবেশ ও ভবিষ্যৎ মৎস্যসম্পদের জন্য মারাত্মক হুমকি।
মৎস্য কর্মকর্তা জানান, বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া এলাকায় সরকারি অনুমোদিত দুটি চিংড়ি হ্যাচারি রয়েছে। তবে জব্দকৃত পোনার ক্ষেত্রে কোনো বৈধ হ্যাচারির তথ্য বা লাইসেন্স পাওয়া যায়নি। অভিযানে মূল হোতাদের আটক করা সম্ভব না হলেও দুই ট্রাকচালককে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি রেনুপোনা পাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রকে শনাক্ত করতে গোয়েন্দা সংস্থার সহায়তায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও এনডিসি সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যারা অবৈধভাবে রেনুপোনা আহরণ ও পরিবহন করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নদী ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
What's Your Reaction?