বাগেরহাটে মাছের বাজারে আগুন
রমজান মাসকে সামনে রেখে বাগেরহাটে সব ধরনের মাছের দাম হঠাৎ করে বেড়ে গেছে। আকার ও প্রকারভেদে প্রতি কেজি মাছ ২শ টাকা থেকে ৪শ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
বাগেরহাট সদর উপজেলার বারাকপুর মৎস্য আড়ত সকাল থেকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের দরকষাকষিতে মুখর থাকে। জেলার অন্যতম বৃহৎ এই আড়তে প্রতিদিন চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রি হয়। তবে রমজানকে কেন্দ্র করে এখানকার বাজারে চিংড়িসহ নানা জাতের মাছের দাম চড়া হয়ে উঠেছে।
সুভাষ বিশ্বাস নামের পাইকারি ব্যবসায়ী বলেন, বারাকপুর মোকাম থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সংগ্রহ করে তা দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। বিশেষ করে খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, গোপালগঞ্জ, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলায় নিয়মিত মাছ সরবরাহ করা হয়। এখানকার মাছের গুণগত মান ভালো হওয়ায় বাজারে চাহিদা বেশি। দ্রুত পরিবহন ও সংরক্ষণের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে টাটকা মাছ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত সপ্তাহে যে মাছ ২শ টাকা কেজি ছিল, মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে তা ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে এক কেজি ওজনের রুই মাছ প্রতিমণ বিক্রি হচ্ছে ১০ হাজার টাকা দরে। যা কয়েকদিন আগেও ছিল ৬ থে
রমজান মাসকে সামনে রেখে বাগেরহাটে সব ধরনের মাছের দাম হঠাৎ করে বেড়ে গেছে। আকার ও প্রকারভেদে প্রতি কেজি মাছ ২শ টাকা থেকে ৪শ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
বাগেরহাট সদর উপজেলার বারাকপুর মৎস্য আড়ত সকাল থেকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের দরকষাকষিতে মুখর থাকে। জেলার অন্যতম বৃহৎ এই আড়তে প্রতিদিন চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিক্রি হয়। তবে রমজানকে কেন্দ্র করে এখানকার বাজারে চিংড়িসহ নানা জাতের মাছের দাম চড়া হয়ে উঠেছে।
সুভাষ বিশ্বাস নামের পাইকারি ব্যবসায়ী বলেন, বারাকপুর মোকাম থেকে প্রতিদিন বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সংগ্রহ করে তা দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। বিশেষ করে খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, গোপালগঞ্জ, ঢাকা ও ফরিদপুর জেলায় নিয়মিত মাছ সরবরাহ করা হয়। এখানকার মাছের গুণগত মান ভালো হওয়ায় বাজারে চাহিদা বেশি। দ্রুত পরিবহন ও সংরক্ষণের মাধ্যমে ক্রেতাদের কাছে টাটকা মাছ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত সপ্তাহে যে মাছ ২শ টাকা কেজি ছিল, মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে তা ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে এক কেজি ওজনের রুই মাছ প্রতিমণ বিক্রি হচ্ছে ১০ হাজার টাকা দরে। যা কয়েকদিন আগেও ছিল ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা। একইভাবে এক কেজি ওজনের কাতলা মাছের দাম প্রতিমণ ৯ হাজার টাকা। যা আগে ছিল ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা।
দাম বেড়েছে দেশি টেংড়া, বেলে, ফাইস্যা, শৌল ও টাকিসহ অন্যান্য মাছেরও। আকারভেদে এসব মাছের কেজিতে ২০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
গলদা ও বাগদা চিংড়ির দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। ১০০ গ্রাম ওজনের গলদা চিংড়ি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা দরে। আর ৩০ পিসের কেজির বাগদা চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ১২শত টাকা থেকে ১৬ শত টাকায়। মাত্র দুই সপ্তাহ আগে এসব চিংড়ির দাম ছিল ৮ শত থেকে ১ হাজার টাকার মধ্যে।
আড়তদার ও বিক্রেতারা জানান, ঘেরের পানি শুকিয়ে যাওয়া এবং নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঘের মালিকরা একসাথে মাছ আহরণ করেছিল। কিছুদিন আগে বাজারে সরবরাহ বেশি ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে সরবরাহ কমে যাওয়ায় রমজান মাসে দাম বেড়ে গেছে।
জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা আব্দুস সালাম তরফদার বলেন, রমজান উপলক্ষে মাছের দাম বাড়ার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। বাজার মূল্য স্বাভাবিক রাখতে কঠোর নজরদারি ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
বাগেরহাটে সাদা মাছ ও চিংড়ির ব্যাপক উৎপাদন হয়। তবুও রমজানকে কেন্দ্র করে বাজারে এমন অস্থিরতায় উদ্বিগ্ন সাধারণ ক্রেতারা। অনেকের অভিযোগ, রমজানকে সামনে রেখে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী মাছের দাম বৃদ্ধি করেছেন।