বাড়িতে বাইক ধোয়ার সময় এই ভুল করছেন না তো?

অনেকের কাছেই মোটরবাইক শুধু একটি বাহন নয়, বরং শখের সঙ্গী। বিশেষ করে ছেলেদের কাছ প্রেমিকার চেয়েও নাকি বাইক প্রিয়। তাই মোটরবাইকের ইঞ্জিনের যত্নের পাশাপাশি বাইকের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেকেই বাইক ধোয়ার সময় এমন কিছু ভুল করেন, যা ধীরে ধীরে বাইকের রং, ইলেকট্রনিক্স এমনকি ইঞ্জিনেরও ক্ষতি করতে পারে। সঠিক নিয়মে বাইক পরিষ্কার করলে যেমন এর সৌন্দর্য বজায় থাকে, তেমনি যন্ত্রাংশও দীর্ঘদিন ভালো থাকে। উচ্চচাপের পানি ব্যবহার করবেন না বাইক ধোয়ার সময় সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি হলো উচ্চচাপের ওয়াটার জেট ব্যবহার করা। এতে ইঞ্জিন, ব্যাটারি, সেন্সর, সুইচ এবং বৈদ্যুতিক তারের সংযোগস্থলে পানি ঢুকে যেতে পারে। ফলে শর্ট সার্কিট, সেন্সর নষ্ট হওয়া কিংবা বৈদ্যুতিক ত্রুটির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে ডিজিটাল মিটার বা ডিসপ্লেতে কখনোই সরাসরি প্রেসারের পানি দেওয়া উচিত নয়। সঠিক ক্লিনার ব্যবহার করুন অনেকে বাসন ধোয়ার লিকুইড, ডিটারজেন্ট বা শক্তিশালী কেমিক্যাল দিয়ে বাইক পরিষ্কার করেন। এতে বাইকের পেইন্ট, স্টিকার ও প্লাস্টিকের অংশ দ্রুত বিবর্ণ হয়ে যেতে পারে। সবসময় মোটরবাইকের জন্য তৈরি মাইল্ড শ্যাম্পু

বাড়িতে বাইক ধোয়ার সময় এই ভুল করছেন না তো?

অনেকের কাছেই মোটরবাইক শুধু একটি বাহন নয়, বরং শখের সঙ্গী। বিশেষ করে ছেলেদের কাছ প্রেমিকার চেয়েও নাকি বাইক প্রিয়। তাই মোটরবাইকের ইঞ্জিনের যত্নের পাশাপাশি বাইকের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেকেই বাইক ধোয়ার সময় এমন কিছু ভুল করেন, যা ধীরে ধীরে বাইকের রং, ইলেকট্রনিক্স এমনকি ইঞ্জিনেরও ক্ষতি করতে পারে।

সঠিক নিয়মে বাইক পরিষ্কার করলে যেমন এর সৌন্দর্য বজায় থাকে, তেমনি যন্ত্রাংশও দীর্ঘদিন ভালো থাকে।

উচ্চচাপের পানি ব্যবহার করবেন না

বাইক ধোয়ার সময় সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর একটি হলো উচ্চচাপের ওয়াটার জেট ব্যবহার করা। এতে ইঞ্জিন, ব্যাটারি, সেন্সর, সুইচ এবং বৈদ্যুতিক তারের সংযোগস্থলে পানি ঢুকে যেতে পারে। ফলে শর্ট সার্কিট, সেন্সর নষ্ট হওয়া কিংবা বৈদ্যুতিক ত্রুটির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে ডিজিটাল মিটার বা ডিসপ্লেতে কখনোই সরাসরি প্রেসারের পানি দেওয়া উচিত নয়।

সঠিক ক্লিনার ব্যবহার করুন

অনেকে বাসন ধোয়ার লিকুইড, ডিটারজেন্ট বা শক্তিশালী কেমিক্যাল দিয়ে বাইক পরিষ্কার করেন। এতে বাইকের পেইন্ট, স্টিকার ও প্লাস্টিকের অংশ দ্রুত বিবর্ণ হয়ে যেতে পারে। সবসময় মোটরবাইকের জন্য তৈরি মাইল্ড শ্যাম্পু বা নির্দিষ্ট ক্লিনিং সলিউশন ব্যবহার করাই নিরাপদ।

শক্ত ব্রাশ নয়, ব্যবহার করুন নরম কাপড়

বাইকের বডি পরিষ্কার করার সময় শক্ত ব্রাশ বা রুক্ষ স্ক্রাবার ব্যবহার করলে রঙের ওপর আঁচড় পড়ে যেতে পারে। তাই মাইক্রোফাইবার কাপড়, নরম স্পঞ্জ বা সফট ব্রাশ ব্যবহার করুন। একই কাপড় বারবার ব্যবহার করার আগে সেটি পরিষ্কার আছে কি না, সেটিও নিশ্চিত করুন। ধুলাবালি লেগে থাকা কাপড় দিয়ে মুছলে উল্টো ক্ষতি হতে পারে।

ময়লা আগে আলগা করুন

শুকনো ধুলাবালি বা কাদা সরাসরি ঘষে তুলতে গেলে পেইন্টের ক্ষতি হতে পারে। প্রথমে হালকা পানি ছিটিয়ে ময়লা নরম করুন। এরপর ধীরে ধীরে স্পঞ্জ বা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করুন। কোথাও জোরে ঘষার প্রয়োজন নেই।

ধোয়ার পর অবশ্যই শুকিয়ে নিন

বাইক ধোয়ার পর অনেকেই সেটি ভেজা অবস্থাতেই রেখে দেন। এতে চেইন, নাট-বোল্ট, ব্রেক ডিস্ক ও ধাতব অংশে মরিচা ধরতে পারে। তাই পরিষ্কার শুকনো কাপড় দিয়ে বাইকের প্রতিটি অংশ মুছে ফেলুন। প্রয়োজন হলে কিছুক্ষণ বাতাসে শুকাতে দিন।

চেইনের যত্ন নিতে ভুলবেন না

বাইক পুরোপুরি শুকিয়ে গেলে চেইন পরিষ্কার করে উপযুক্ত লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করুন। এতে চেইনের ঘর্ষণ কমবে এবং আয়ু বাড়বে। পাশাপাশি ব্রেক, গিয়ার, টায়ার ও মাডগার্ডের নিচে জমে থাকা কাদা বা ময়লাও পরিষ্কার করে ফেলুন।

বাইক নিয়মিত পরিষ্কার রাখুন

বাইক প্রতিদিন ধোয়ার প্রয়োজন নেই, তবে নিয়মিত ধুলাবালি পরিষ্কার করলে বাইকের রং দীর্ঘদিন চকচকে থাকবে এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশও ভালো অবস্থায় থাকবে। অল্প কিছু সতর্কতা মেনে চললেই আপনার প্রিয় মোটরবাইক দীর্ঘদিন নতুনের মতো সুন্দর ও কার্যক্ষম থাকবে।

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow