বাড়ির পাশে পড়েছিল শিশুর মরদেহ, বাবা ও সৎমা গ্রেপ্তার
ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাড়ির পাশ থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাবা ও সৎ মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তারের পর আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যার শিকার শিশুর নাম মো. লাবিব (৩) উপজেলার হরিরামপুর রায়ের গ্রামের মো. সোহাগ মিয়ার ছেলে। বুধবার সন্ধ্যার পর উপজেলার রায়ের গ্রাম এলাকায় নিজ বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা জনান, পারিবারিক কলহের জেরে নিহত শিশুর মা লামিয়া আক্তার একই গ্রামে তার বাবার বাড়িতে থাকতেন। ঘটনার দিন দুপুর ১ টার দিকে বাবা সোহাগ মিয়া শ্বশুরবাড়িতে এসে শিশুটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। একই দিন সন্ধ্যার আগেই তাকে নানার বাড়িতে রেখে যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি শিশুটিকে ফিরিয়ে দিয়ে যাননি। এদিকে সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় লোকজন শিশুটির মরদেহ রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় শিশুটির মা লামিয়া আক্তার বাদি হয়ে স্বামী সোহাগ ও তার প্রথম স্ত্রী জাকিয়া আক্তারের
ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাড়ির পাশ থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাবা ও সৎ মাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তারের পর আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যার শিকার শিশুর নাম মো. লাবিব (৩) উপজেলার হরিরামপুর রায়ের গ্রামের মো. সোহাগ মিয়ার ছেলে। বুধবার সন্ধ্যার পর উপজেলার রায়ের গ্রাম এলাকায় নিজ বাড়ি সংলগ্ন রাস্তার পাশ থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জনান, পারিবারিক কলহের জেরে নিহত শিশুর মা লামিয়া আক্তার একই গ্রামে তার বাবার বাড়িতে থাকতেন। ঘটনার দিন দুপুর ১ টার দিকে বাবা সোহাগ মিয়া শ্বশুরবাড়িতে এসে শিশুটিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। একই দিন সন্ধ্যার আগেই তাকে নানার বাড়িতে রেখে যাওয়ার কথা থাকলেও তিনি শিশুটিকে ফিরিয়ে দিয়ে যাননি।
এদিকে সন্ধ্যার দিকে স্থানীয় লোকজন শিশুটির মরদেহ রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় শিশুটির মা লামিয়া আক্তার বাদি হয়ে স্বামী সোহাগ ও তার প্রথম স্ত্রী জাকিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে অভিযান চালিয়ে গফরগাঁও উপজেলার বাখুরা গ্রাম থেকে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়।
ত্রিশাল থানার ওসি মুহাম্মদ ফিরোজ হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নিজে তার সন্তানকে গলা টিপে হত্যার পর মরদেহ ফেলে রেখে চলে যায় বাবা।
ওসি জানান, গ্রেপ্তার আসামি সোহাগকে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অপর আসামি জাকিয়াকে আইনি প্রক্রিয়ায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
What's Your Reaction?