বিএনপির নেতাকর্মীরা জীবিত থাকতে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হবে না: জাহিদ হোসেন
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, অহেতুক মানুষকে উত্তেজিত করে দেশকে বিপদগ্রস্ত করা এবং স্বৈরাচারের রাস্তাকে খুলে দেওয়ার যে ষড়যন্ত্রে যারা নেমেছে, বিএনপির নেতাকর্মীরা জীবিত থাকতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের সুযোগ নেই। বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিউল বারী বাবুর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া। সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বাকস্বাধীনতার অর্থ সীমাহীন স্বাধীনতা নয়। কাউকে হেয় করা, সম্মানহানি করা কিংবা উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না। রাজনৈতিক অঙ্গনে শালীনতা ও সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অহেতুক মানুষকে উত্তেজিত করে দেশকে বিপদগ্রস্ত করার অপচেষ্টা রুখে দিতে বিএনপি সর্বদা প্রস্তুত। ডা. জাহিদ বলেন, যারা স্বৈরাচারক
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, অহেতুক মানুষকে উত্তেজিত করে দেশকে বিপদগ্রস্ত করা এবং স্বৈরাচারের রাস্তাকে খুলে দেওয়ার যে ষড়যন্ত্রে যারা নেমেছে, বিএনপির নেতাকর্মীরা জীবিত থাকতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের সুযোগ নেই।
বুধবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিউল বারী বাবুর ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বাকস্বাধীনতার অর্থ সীমাহীন স্বাধীনতা নয়। কাউকে হেয় করা, সম্মানহানি করা কিংবা উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।
রাজনৈতিক অঙ্গনে শালীনতা ও সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, অহেতুক মানুষকে উত্তেজিত করে দেশকে বিপদগ্রস্ত করার অপচেষ্টা রুখে দিতে বিএনপি সর্বদা প্রস্তুত।
ডা. জাহিদ বলেন, যারা স্বৈরাচারকে পুনর্বাসনের মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছে, তাদের উদ্দেশে বিএনপি স্পষ্ট বার্তা দিতে চায়—বিএনপির ইতিহাস আপসকামিতার নয়, বরং স্বৈরাচারকে প্রতিরোধের ইতিহাস। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব ধরনের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে জাহিদ হোসেন বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে অবস্থান করেও তারেক রহমান সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সক্ষম হয়েছেন। তার নেতৃত্বে দল ঐক্যবদ্ধ ছিল বলেই ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে জনগণ সব ধরনের ষড়যন্ত্র প্রত্যাখ্যান করেছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি বলেন, বিএনপির রাজনীতিতে কোনো দ্বিচারিতা বা আপোষকামিতার স্থান নেই। দেশের সার্বভৌমত্ব, উন্নয়ন, সুশাসন এবং জনগণের কল্যাণই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য। অতীতে নানা ষড়যন্ত্রের মুখে দল সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও জনগণের সমর্থন নিয়ে বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপির দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না, যাতে দলকে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। একই সঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী-১ আসনের সংসদ সদস্য খায়রুল কবির খোকন, কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এমপি, সেলিমুজ্জামান সেলিম এমপি, বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরাফত আলী সফু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য বিথিকা বিনতে, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান মিন্টু, স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহসভাপতি ইয়াসিন আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ এবং সাধারণ সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
What's Your Reaction?