বিচারক-আদালত ‘ম্যানেজে’ ঘুসের অভিযোগ, ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ
সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ও আদালতকে প্রভাবিত করে নিজের পক্ষে রায় নেওয়ার জন্য আবুল হাসেম নামের এক ব্যক্তিকে ৫ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুস দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর ফুলবাড়িয়া সিটি প্লাজা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং আদি বাংলা গার্মেন্টসের মালিক ব্যবসায়ী কে এম সোহেলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) আটজন আইনজীবীর পক্ষে ই-মেইলের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ডিএমপি কমিশনার এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানকে বিবাদী করে এ নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান (তুষার)। ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান (তুষার) ছাড়াও নোটিশদাতারা হলেন ব্যারিস্টার মাহদী জামান, অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট নাঈম সরদার, অ্যাডভোকেট লোকমান হাকিম, অ্যাডভোকেট আবদুল লতিফ, অ্যাডভোকেট খায়রুল বাশার ও ব্যারিস্টার মো. কাউসার। এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী কে এম সোহেল দাবি করেন, আবুল হাসেম সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী না হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তবে জানা যায়, আবুল হাসেম ঢাকা জ
সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ও আদালতকে প্রভাবিত করে নিজের পক্ষে রায় নেওয়ার জন্য আবুল হাসেম নামের এক ব্যক্তিকে ৫ কোটি ২১ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঘুস দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর ফুলবাড়িয়া সিটি প্লাজা মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি এবং আদি বাংলা গার্মেন্টসের মালিক ব্যবসায়ী কে এম সোহেলের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২১ মে) আটজন আইনজীবীর পক্ষে ই-মেইলের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), ডিএমপি কমিশনার এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যানকে বিবাদী করে এ নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান (তুষার)।
ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান (তুষার) ছাড়াও নোটিশদাতারা হলেন ব্যারিস্টার মাহদী জামান, অ্যাডভোকেট বায়েজীদ হোসাইন, অ্যাডভোকেট নাঈম সরদার, অ্যাডভোকেট লোকমান হাকিম, অ্যাডভোকেট আবদুল লতিফ, অ্যাডভোকেট খায়রুল বাশার ও ব্যারিস্টার মো. কাউসার।
এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যবসায়ী কে এম সোহেল দাবি করেন, আবুল হাসেম সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী না হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তবে জানা যায়, আবুল হাসেম ঢাকা জজকোর্টের আইনজীবী।
এছাড়া প্রতারণার অভিযোগে আবুল হাসেমের বিরুদ্ধে ব্যবসায়ী কে এম সোহেল এরই মধ্যে একটি মামলা করেছেন, যা বর্তমানে তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
নোটিশ পাওয়ার সাতদিনের মধ্যে ব্যবসায়ী কে এম সোহেলের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়েরসহ পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নোটিশে বলা হয়, ব্যবসায়ী কে এম সোহেল আইনসম্মত প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে নিজের বা তার সমিতির পক্ষে রায় আদায়ের উদ্দেশ্যে আবুল হাশেমকে অর্থ দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তাকে স্বচ্ছ মানসিকতার ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা যায় না বলেও দাবি করা হয়েছে।
ব্যবসায়ী কে এম সোহেল তার কর্মকাণ্ডের জন্য সরাসরি দায়ী এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধি, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের বিভিন্ন ধারায় ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। এসব আইনের আওতায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের আইনগত দায়িত্ব বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
নোটিশের বিষয়ে ব্যারিস্টার মো. সোলায়মান বলেন, আজ ই-মেইলে বিবাদীর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সুপ্রিম কোর্টে রিট দায়েরসহ অন্যান্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এফএইচ/এমএএইচ/
What's Your Reaction?