বিদ্যুৎ বিল দিতে না পেরে কারাগারে, ডিসি সারোয়ারের উদ্যোগে জামিন
সিলেটে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে না পারায় কারাগারে থাকা মঙ্গল দাস নামের এক ব্যক্তিকে জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমের উদ্যোগে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার ২ (মহানগর) জেলার আরিফুর রহমান বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন।
হাজতি মঙ্গল দাস সিলেটের এয়ারপোর্ট থানার কেওয়াছড়া চা বাগান এলাকার বাসিন্দা বীরশা দাসের ছেলে।
সিলেট জেলা প্রশাসন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মঙ্গল দাস নামের এক হাজতি বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮–এর ৪০ ধারায় গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর আটক হয়ে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে যান। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম সিলেট কারাগার পরিদর্শনে গেলে মঙ্গল দাসের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। এ সময় তিনি জানান, ২০ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে না পারায় তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন। পরে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাকে জামিন পাওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন এবং বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের নিশ্চয়তা দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়
সিলেটে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে না পারায় কারাগারে থাকা মঙ্গল দাস নামের এক ব্যক্তিকে জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমের উদ্যোগে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়। সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার ২ (মহানগর) জেলার আরিফুর রহমান বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন।
হাজতি মঙ্গল দাস সিলেটের এয়ারপোর্ট থানার কেওয়াছড়া চা বাগান এলাকার বাসিন্দা বীরশা দাসের ছেলে।
সিলেট জেলা প্রশাসন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মঙ্গল দাস নামের এক হাজতি বিদ্যুৎ আইন, ২০১৮–এর ৪০ ধারায় গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর আটক হয়ে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে যান। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সিলেটের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম সিলেট কারাগার পরিদর্শনে গেলে মঙ্গল দাসের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। এ সময় তিনি জানান, ২০ হাজার টাকা বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে না পারায় তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন। পরে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাকে জামিন পাওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেন এবং বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের নিশ্চয়তা দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়।
সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার ২ (মহানগর) জেলার আরিফুর রহমান কালবেলাকে বলেন, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ডিসি সারোয়ার আলম কারাগার পরিদর্শনে এসে বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন। এ সময় তার সঙ্গে হাজতি মঙ্গল দাসের দেখা হয়। জেলা প্রশাসক তাকে জিজ্ঞেস করেন, এ বয়সে কেন তিনি কারাগারে রয়েছেন। জবাবে মঙ্গল দাস জানান, প্রায় ২০ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে না পারায় তাকে কারাগারে আসতে হয়েছে। বিষয়টি জানার পর জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে হাজতির ঠিকানা সংগ্রহ করে সরকারি তহবিল থেকে বকেয়া বিল পরিশোধের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিকেলে কারাগার থেকে মঙ্গল দাস মুক্তি পান।
তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসকের এ উদ্যোগ একটি মানবিক দৃষ্টান্ত। এতে একজন বন্দি মুক্তি পেয়েছেন, যা আমাদের জন্যও আনন্দের বিষয়। দেশের অন্যান্য জেলার জেলা প্রশাসকেরাও যদি নিয়মিত কারাগার পরিদর্শন করেন, তাহলে বন্দিদের মানসিক স্বস্তি বাড়বে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে এবং অসহায় বন্দিদের পাশে রাষ্ট্র রয়েছে এ বিষয়টিও স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হবে।