বিপৎসীমার কাছাকাছি যমুনা ও বাঙালি নদীর পানি
গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা ও বাঙালি নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। গত সাত দিন ধরে নদী দুটির পানি ক্রমাগত বাড়ছে। বর্তমানে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার এবং বাঙালি নদীর পানি ২১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, দু-এক দিনের মধ্যে নদী দুটির পানি স্থিতিশীল হয়ে কমতে শুরু করতে পারে। ফলে আপাতত বিপৎসীমা অতিক্রমের আশঙ্কা কম। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৩টায় উপজেলার মথুরাপাড়া পয়েন্টে যমুনা নদীর পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ১৫ দশমিক ৫৬ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এ উপজেলায় যমুনা নদীর বিপৎসীমা ১৬ দশমিক ২৫ মিটার। অর্থাৎ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। একই সময় বাঙালি নদীর পানির উচ্চতা ছিল ১৫ দশমিক ৩৬ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি বেড়েছে ১ সেন্টিমিটার। এ উপজেলায় বাঙালি নদীর বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৫৭ মিটার। সে হিসাবে নদীর পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে, কয়েক দিনের পানি বৃদ্ধিতে উপজেলার অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হতে শুরু করেছে। টানা ব
গত কয়েক দিনের ভারি বর্ষণ ও উজানের পাহাড়ি ঢলে বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনা ও বাঙালি নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। গত সাত দিন ধরে নদী দুটির পানি ক্রমাগত বাড়ছে। বর্তমানে যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার এবং বাঙালি নদীর পানি ২১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, দু-এক দিনের মধ্যে নদী দুটির পানি স্থিতিশীল হয়ে কমতে শুরু করতে পারে। ফলে আপাতত বিপৎসীমা অতিক্রমের আশঙ্কা কম।
শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৩টায় উপজেলার মথুরাপাড়া পয়েন্টে যমুনা নদীর পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ১৫ দশমিক ৫৬ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি ৯ সেন্টিমিটার বেড়েছে। এ উপজেলায় যমুনা নদীর বিপৎসীমা ১৬ দশমিক ২৫ মিটার। অর্থাৎ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ৬৯ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
একই সময় বাঙালি নদীর পানির উচ্চতা ছিল ১৫ দশমিক ৩৬ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর পানি বেড়েছে ১ সেন্টিমিটার। এ উপজেলায় বাঙালি নদীর বিপৎসীমা ১৫ দশমিক ৫৭ মিটার। সে হিসাবে নদীর পানি বিপৎসীমার ২১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এদিকে, কয়েক দিনের পানি বৃদ্ধিতে উপজেলার অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হতে শুরু করেছে। টানা বর্ষণে বেশ কিছু মাছের খামার ভেসে গেছে। নিচু এলাকার গোচারণভূমিও পানিতে তলিয়ে গেছে। উপজেলার বিভিন্ন খালেও পানি ঢুকতে শুরু করেছে।
এছাড়া নিম্নাঞ্চলের পাট ও ধইঞ্চাসহ কিছু ধান এবং ধানের বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি থাকায় চরাঞ্চলের বাসিন্দারা বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ কিংবা উঁচু স্থানে আশ্রয় নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন।
বগুড়া জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী হুমায়ুন কবির বলেন, উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারি বর্ষণের কারণে গত কয়েক দিন ধরে যমুনা ও বাঙালি নদীর পানি বাড়ছে। তবে এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। পানি বৃদ্ধির হার অনেকটাই কমে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, দু-এক দিনের মধ্যে নদী দুটির পানি স্থিতিশীল হয়ে কমতে শুরু করবে। এ যাত্রায় পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে উজানে আবারও ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হলে নদী দুটির পানি ফের বাড়তে পারে বলেও জানান তিনি।
What's Your Reaction?