বিভাজনের রাজনীতি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিভাজনের রাজনীতি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যা থেকে সবাইকে সরে আসতে হবে। ১৯৭১ কিংবা সা¤প্রতিক ইস্যু নিয়ে বিভক্তি নয়, বরং জাতীয় ঐক্য জরুরি। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) যশোর জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুর। আইনমন্ত্রী জানান, অনৈতিক বা পক্ষপাতদুষ্ট বিচার ব্যবস্থা মেনে নেওয়া হবে না। বিচার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চাই এবং দুর্নীতি বন্ধে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ করছি। বিচার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে সরকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে পৃথক বিচার বিভাগ সচিবালয় আইন, মানবাধিকার কমিশন আইন, গুম কমিশন আইন এবং জুলাই সনদ আইন। তিনি বলেন, দেশে বিচার বিভাগ স্বাধীন হলেও সুপ্রিম কোর্ট তার নিজস্ব স্বকীয়তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। বিগত সরকারের সময় বিচার বিভাগের একটি অংশ রাজনৈতিক প্রভাবের অধীনে চলে গিয়েছিল, যা জনগণের আস্থাকে দুর্বল করেছে। মানবাধিকার ক
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিভাজনের রাজনীতি আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে, যা থেকে সবাইকে সরে আসতে হবে। ১৯৭১ কিংবা সা¤প্রতিক ইস্যু নিয়ে বিভক্তি নয়, বরং জাতীয় ঐক্য জরুরি।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) যশোর জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুর।
আইনমন্ত্রী জানান, অনৈতিক বা পক্ষপাতদুষ্ট বিচার ব্যবস্থা মেনে নেওয়া হবে না। বিচার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে চাই এবং দুর্নীতি বন্ধে বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ করছি। বিচার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে সরকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে পৃথক বিচার বিভাগ সচিবালয় আইন, মানবাধিকার কমিশন আইন, গুম কমিশন আইন এবং জুলাই সনদ আইন।
তিনি বলেন, দেশে বিচার বিভাগ স্বাধীন হলেও সুপ্রিম কোর্ট তার নিজস্ব স্বকীয়তা ধরে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। বিগত সরকারের সময় বিচার বিভাগের একটি অংশ রাজনৈতিক প্রভাবের অধীনে চলে গিয়েছিল, যা জনগণের আস্থাকে দুর্বল করেছে।
মানবাধিকার কমিশন ও গুম কমিশন নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন রয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদের কিছু অংশ নিয়েও বিতর্ক আছে। বিএনপি প্রতিশ্রæতি অনুযায়ী এসব বিষয় সমাধানের উদ্যোগ নেবে।
সভায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত উপস্থিত ছিলেন। তিনি বিশ্বজুড়ে চলমান জ্বালানি বাজারের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট গাজী এনামুল হক, জেলা জজ মাহমুদা খানম এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন প্রমুখ।
মিলন রহমান/এএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?