বিশ্বকাপে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন সেনেগালের প্রধান চিকিৎসক!

বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায়ের পর আলোচনা সমালোচনা যেন পিছু ছাড়ছে না বর্তমান আফ্রিকান নেশন্স কাপ চ্যাম্পিয়ন সেনেগালের। দলটির কোচ ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। এবার আরো এক চোখ কপালে ওঠা তথ্য দিয়েছেন দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি। বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর চাঞ্চল্যকর এক তথ্য সামনে আনলেন সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি আবদুলাইয়ে ফল। তিনি দাবি করেছেন, বিশ্বকাপে জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা প্রধান চিকিৎসক আসলে পেশায় একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ (গাইনোকোলজিস্ট), আর বিষয়টি তিনি নিজেও অনেক দেরিতে জানতে পেরেছেন। বিশ্বকাপে সেনেগালের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করতে গিয়ে আবদুলাইয়ে ফল বলেন, খেলোয়াড়রা ওই চিকিৎসকের ওপর পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারছিলেন না। কারণ, ক্রীড়া চিকিৎসা নিয়ে তার প্রয়োজনীয় দক্ষতা ছিল না বলে তাদের ধারণা, ‘সত্যি বলতে, আমাদের প্রধান চিকিৎসকের এমন একাডেমিক যোগ্যতা নেই, যা আমাদের খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সহায়তা করতে পারে। ড. ফেদিয়র মূলত একজন গাইনোকোলজিস্ট—এ বিষয়টি আমি অনেক পরে জানতে পেরেছি। খেলোয়াড়দের কাছ থেকে যে প্রতিক্রিয়া পেয়েছি, তাতে তারা তার ওপর বা তার নিয়মিত তত্ত্বাবধ

বিশ্বকাপে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন সেনেগালের প্রধান চিকিৎসক!

বিশ্বকাপে দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায়ের পর আলোচনা সমালোচনা যেন পিছু ছাড়ছে না বর্তমান আফ্রিকান নেশন্স কাপ চ্যাম্পিয়ন সেনেগালের। দলটির কোচ ইতোমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। এবার আরো এক চোখ কপালে ওঠা তথ্য দিয়েছেন দেশটির ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি।

বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর চাঞ্চল্যকর এক তথ্য সামনে আনলেন সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি আবদুলাইয়ে ফল। তিনি দাবি করেছেন, বিশ্বকাপে জাতীয় দলের সঙ্গে থাকা প্রধান চিকিৎসক আসলে পেশায় একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ (গাইনোকোলজিস্ট), আর বিষয়টি তিনি নিজেও অনেক দেরিতে জানতে পেরেছেন।

বিশ্বকাপে সেনেগালের পারফরম্যান্স পর্যালোচনা করতে গিয়ে আবদুলাইয়ে ফল বলেন, খেলোয়াড়রা ওই চিকিৎসকের ওপর পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারছিলেন না। কারণ, ক্রীড়া চিকিৎসা নিয়ে তার প্রয়োজনীয় দক্ষতা ছিল না বলে তাদের ধারণা, ‘সত্যি বলতে, আমাদের প্রধান চিকিৎসকের এমন একাডেমিক যোগ্যতা নেই, যা আমাদের খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ পর্যায়ে সহায়তা করতে পারে। ড. ফেদিয়র মূলত একজন গাইনোকোলজিস্ট—এ বিষয়টি আমি অনেক পরে জানতে পেরেছি। খেলোয়াড়দের কাছ থেকে যে প্রতিক্রিয়া পেয়েছি, তাতে তারা তার ওপর বা তার নিয়মিত তত্ত্বাবধানে পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারেনি।’

ফেডারেশন সভাপতির মতে, মূল সমস্যা চিকিৎসকের বিশেষায়িত শাখা নয় বরং ক্রীড়া চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতার অভাব। এলিট অ্যাথলেটদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে অর্থোপেডিকস, স্পোর্টস ট্রমাটোলজি, ব্যায়াম শারীরবিদ্যা এবং উচ্চ পর্যায়ের খেলোয়াড়দের মেডিকেল ম্যানেজমেন্টে দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এসব বিষয়ে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকায় খেলোয়াড়দের মধ্যে অনাস্থা তৈরি হয়েছিল।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ড. ফেদিয়র টানা ১০ বছর সেনেগাল জাতীয় দলের চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নরওয়ে ও ফ্রান্সের কাছে হেরে গেলেও ইরাককে বড় ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠে সেনেগাল। নকআউট পর্বে বেলজিয়ামের বিপক্ষে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এগিয়ে থেকেও যোগ করা সময়ে দুটি গোল হজম করে নাটকীয়ভাবে বিদায় নিতে হয় আফ্রিকার দলটিকে।

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরই সেনেগাল ফুটবল ফেডারেশন প্রধান কোচ পাপে থিয়াওকে বরখাস্ত করে। তার অধীনে সেনেগাল আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের ফাইনালে উঠেছিল এবং পরে বিশ্বকাপের টিকিটও নিশ্চিত করেছিল।

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow