বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ, ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় পরকীয়া সম্পর্কের জেরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতে ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে ভাণ্ডারিয়া থানায় এই মামলা করেন।
অভিযুক্ত আসামিরা হলেন— উপজেলার তেলিখালী ইউনিয়নের জুনিয়া গ্রামের মো. মাহফুজ আকন (২৮), মো. মিজান আকন (৩৫), মো. জাহাঙ্গীর আকন (৬০), আল আমিন হাওলাদার (৪৯), মো. হাসান (৩০), মো. আনোয়ার হোসেন সেপাই (২৯), মো. কাওছার খান (২৮), মো. মনির আকন (২৭) ও সাইফুল ইসলাম (২৮)। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূর ১২ বছর আগে বিয়ে হয় এবং তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে অভিযুক্ত মাহফুজ আকনের সঙ্গে ওই নারীর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মাহফুজ বিভিন্ন সময়ে ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
পরবর্তীতে জীবিকার তাগিদে ওই নারী ঢাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। গত ২৬ মার্চ মাহফুজ তার ঢাকার বাসায় যান এবং ২৭ মার্চ পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে আবারও তাকে ধর্ষণ করেন। স্থানীয়র
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় পরকীয়া সম্পর্কের জেরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক গৃহবধূকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।
সোমবার (৬ এপ্রিল) রাতে ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে আসামি করে ভাণ্ডারিয়া থানায় এই মামলা করেন।
অভিযুক্ত আসামিরা হলেন— উপজেলার তেলিখালী ইউনিয়নের জুনিয়া গ্রামের মো. মাহফুজ আকন (২৮), মো. মিজান আকন (৩৫), মো. জাহাঙ্গীর আকন (৬০), আল আমিন হাওলাদার (৪৯), মো. হাসান (৩০), মো. আনোয়ার হোসেন সেপাই (২৯), মো. কাওছার খান (২৮), মো. মনির আকন (২৭) ও সাইফুল ইসলাম (২৮)। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী গৃহবধূর ১২ বছর আগে বিয়ে হয় এবং তাদের সংসারে দুটি সন্তান রয়েছে। এর মধ্যে অভিযুক্ত মাহফুজ আকনের সঙ্গে ওই নারীর পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মাহফুজ বিভিন্ন সময়ে ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
পরবর্তীতে জীবিকার তাগিদে ওই নারী ঢাকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। গত ২৬ মার্চ মাহফুজ তার ঢাকার বাসায় যান এবং ২৭ মার্চ পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে আবারও তাকে ধর্ষণ করেন। স্থানীয়রা মাহফুজকে আটকে রাখলে খবর পেয়ে ফতুল্লা থানা পুলিশ উভয়কে থানায় নিয়ে যায়। সে সময় মাহফুজের ভাই মিজানুর রহমানসহ স্বজনরা বিয়ের আশ্বাস দিয়ে তাদের ছাড়িয়ে আনেন। আসামিদের ওপর বিশ্বাস করে ওই নারী তার স্বামীকে তালাক দিলেও এরপর থেকে মাহফুজ ও তার পরিবার যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, গত ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় বিয়ের দাবিতে ওই নারী মাহফুজের বাড়িতে গেলে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামিরা তাকে বেধড়ক মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, এ সময় তার কাছ থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় আসামিরা। পরে তাকে জোরপূর্বক অটোরিকশায় তুলে নিয়ে পথে আবারও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভাণ্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, ভুক্তভোগী গৃহবধূর অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।