বৃষ্টির পানি চলাচল নিয়ে চাচাতো ভাইদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ১
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় পানি চলাচল নিয়ে দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে সংঘর্ষে মো. ওবাইদুল (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের দুধপুকুরিয়া ব্রিজঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আরও পড়ুন চট্টগ্রামে বন্যা ও পাহাড়ধসে ১৩ জনের মৃত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত ৬ লাখ মানুষ পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পানি চলাচলের পথ নিয়ে ওবাইদুলের সঙ্গে তার চাচা ও চাচাতো ভাইদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিকেলে এ বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষের সময় ওবাইদুলকে গাছের বাটাম দিয়ে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলেও পথে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আরও পড়ুন তালাবদ্ধ ঘরে ঝুলছিল স্বামীর মরদেহ, স্ত্রী পলাতক রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় পানি চলাচল নিয়ে দীর্ঘদিনের পারিবারিক বিরোধের জেরে সংঘর্ষে মো. ওবাইদুল (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
রোববার (১২ জুলাই) বিকেলে উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের দুধপুকুরিয়া ব্রিজঘাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পানি চলাচলের পথ নিয়ে ওবাইদুলের সঙ্গে তার চাচা ও চাচাতো ভাইদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বিকেলে এ বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাঁধে।
সংঘর্ষের সময় ওবাইদুলকে গাছের বাটাম দিয়ে আঘাত করা হলে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নিলেও পথে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রাঙ্গুনিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হিলাল উদ্দীন আহমেদ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কাজ করছে।
এমআরএএইচ/কেএসআর
What's Your Reaction?

