বেরোবির প্রকল্পে অনিয়ম: কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন জুলাইয়ে

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের-এর উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার (২০ মে) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালতে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে দুদক নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় আদালত নতুন করে আগামী ২৭ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করেন। মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম। গত বছরের ১৮ জুলাই সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপেক্ষা করে নকশা পরিবর্তন করেন। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই ৩০ কোটি টাকার বেশি চুক্তি সম্পন্ন করা হয়। এ ছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, ঠিকাদারের চলতি বিল থেকে কেটে রাখা নিরাপত্তা জামানত ব্যাংকে স্থায়ী আমানত (এফডিআর) হি

বেরোবির প্রকল্পে অনিয়ম: কলিমউল্লাহসহ ৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন জুলাইয়ে

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের-এর উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (২০ মে) ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালতে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। তবে দুদক নির্ধারিত সময়ে প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় আদালত নতুন করে আগামী ২৭ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম। গত বছরের ১৮ জুলাই সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়।

jagonews24

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) উপেক্ষা করে নকশা পরিবর্তন করেন। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই ৩০ কোটি টাকার বেশি চুক্তি সম্পন্ন করা হয়।

এ ছাড়া অভিযোগে আরও বলা হয়, ঠিকাদারের চলতি বিল থেকে কেটে রাখা নিরাপত্তা জামানত ব্যাংকে স্থায়ী আমানত (এফডিআর) হিসেবে রাখার পর সেই অর্থ ঠিকাদারকে ঋণ হিসেবে দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ‘অনাপত্তিপত্র’ প্রদান করে। এর মাধ্যমে সরকারের প্রায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের সুযোগ তৈরি হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার নথিতে বলা হয়, ঠিকাদারের সঙ্গে চুক্তিতে অগ্রিম অর্থ প্রদানের কোনো বিধান না থাকা সত্ত্বেও অগ্রিম বিল প্রদান করা হয়। পাশাপাশি আগাম দেওয়া বিলের বিপরীতে জমা রাখা ব্যাংক গ্যারান্টিগুলো নির্ধারিত সময়ের আগেই অবমুক্ত করা হয়।

আরও বলা হয়, প্রথম পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নকশা অনুসরণ না করে সরকারি ক্রয়বিধি লঙ্ঘন করে দ্বিতীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়। এ ছাড়া অস্বাভাবিক দর বা ফ্রন্ট লোডিং থাকা সত্ত্বেও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস-২০০৮ অনুযায়ী দরপত্র মূল্যায়ন করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন— সাবেক উপাচার্য ও প্রকল্প পরিচালক এ কে এম নূর-উন-নবী, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী ও দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সদস্যসচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, ঠিকাদার মো. আ. সালাম বাচ্চু এবং এম এম হাবিবুর রহমান।

এমডিএএ/এসএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow