বেলজিয়ামের বিপক্ষে এগিয়ে সেনেগাল

বড় দলগুলোকে এবারের বিশ্বকাপে বড় দেখাচ্ছে না। ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও প্রথমে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল ডিআর কঙ্গো। এবার বেলজিয়ামেরও বেশ ভালো পরীক্ষা নিচ্ছে আরেক আফ্রিকান দেশ সেনেগাল। হাবিব দিয়ারার গোলে প্রথমেই এগিয়ে গেলো সেনেগালিজরা। রাউন্ড অব ৩২-এ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে সেনেগাল। সিয়াটলে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথম ২৫ মিনিটে বেলজিয়ামকে চাপে রেখে ১-০ গোলে এগিয়ে গেছে আফ্রিকার দলটি। হাবিব দিয়ারার গোলে এগিয়ে যাওয়ার আগে একের পর এক সুযোগ তৈরি করে বেলজিয়াম রক্ষণকে নাস্তানাবুদ করে তোলে সেনেগাল। ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখলে এগিয়ে ছিল সেনেগাল। বিশেষ করে সাদিও মানে, ইসমাইলা সার ও ইলিমান এনদিয়ায়ের গতিময় আক্রমণে বারবার বিপাকে পড়ে বেলজিয়ামের ডিফেন্স। ১৪তম মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে বড় সুযোগটি নষ্ট করেন ইসমাইলা সার। বাঁ-দিক থেকে জ্যাকবসের দুর্দান্ত ক্রসে বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া প্রথমে বল ঠেকালেও ফিরতি বলে প্রায় ফাঁকা জালে শট নেন সার। কিন্তু তাঁর প্রথম প্রচেষ্টা পোস্টে লাগে, আর ফিরতি বল অবিশ্বাস্যভাবে বাইরে পাঠিয়ে দেন তিনি। নিশ্চিত গোল হাতছাড়া হওয়ায় হতাশ হয় সেনেগাল শিবির। এরপরও আক্রমণের ধার কমায়নি

বেলজিয়ামের বিপক্ষে এগিয়ে সেনেগাল

বড় দলগুলোকে এবারের বিশ্বকাপে বড় দেখাচ্ছে না। ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও প্রথমে গোল করে এগিয়ে গিয়েছিল ডিআর কঙ্গো। এবার বেলজিয়ামেরও বেশ ভালো পরীক্ষা নিচ্ছে আরেক আফ্রিকান দেশ সেনেগাল। হাবিব দিয়ারার গোলে প্রথমেই এগিয়ে গেলো সেনেগালিজরা।

রাউন্ড অব ৩২-এ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলছে সেনেগাল। সিয়াটলে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথম ২৫ মিনিটে বেলজিয়ামকে চাপে রেখে ১-০ গোলে এগিয়ে গেছে আফ্রিকার দলটি। হাবিব দিয়ারার গোলে এগিয়ে যাওয়ার আগে একের পর এক সুযোগ তৈরি করে বেলজিয়াম রক্ষণকে নাস্তানাবুদ করে তোলে সেনেগাল।

ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখলে এগিয়ে ছিল সেনেগাল। বিশেষ করে সাদিও মানে, ইসমাইলা সার ও ইলিমান এনদিয়ায়ের গতিময় আক্রমণে বারবার বিপাকে পড়ে বেলজিয়ামের ডিফেন্স।

১৪তম মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে বড় সুযোগটি নষ্ট করেন ইসমাইলা সার। বাঁ-দিক থেকে জ্যাকবসের দুর্দান্ত ক্রসে বেলজিয়ামের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া প্রথমে বল ঠেকালেও ফিরতি বলে প্রায় ফাঁকা জালে শট নেন সার। কিন্তু তাঁর প্রথম প্রচেষ্টা পোস্টে লাগে, আর ফিরতি বল অবিশ্বাস্যভাবে বাইরে পাঠিয়ে দেন তিনি। নিশ্চিত গোল হাতছাড়া হওয়ায় হতাশ হয় সেনেগাল শিবির।

এরপরও আক্রমণের ধার কমায়নি সেনেগাল। ১৮তম মিনিটে ইদ্রিসা গুইয়ের দূরপাল্লার হাফ-ভলি কোর্তোয়া সহজেই রুখে দেন। অন্যদিকে কেভিন ডি ব্রুইনের দূরপাল্লার শটও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

বেলজিয়ামের রক্ষণে বারবার আতঙ্ক ছড়াচ্ছিলেন সার। তার গতির সঙ্গে তাল মেলাতে হিমশিম খেতে হয় ডিফেন্ডারদের। ২২তম মিনিটে পাল্টা আক্রমণ থামাতে গিয়ে ইউরি টিলেমান্স হাবিব দিয়ারাকে ফাউল করেন। অনেকের মতে, সে সময় হলুদ কার্ড দেখলেও অবাক হওয়ার কিছু ছিল না।

শেষ পর্যন্ত ২৫তম মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। ডান দিক থেকে পাপে গুইয়ের চমৎকার আক্রমণের ধারাবাহিকতায় তৈরি হওয়া সুযোগ কাজে লাগান হাবিব দিয়ারা। তাঁর নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় সেনেগাল।

গোলের আগে-পরে পুরো ম্যাচেই ছন্দহীন ছিল বেলজিয়াম। ৯তম মিনিটে লিয়ান্দ্রো ট্রোসার্ডের নিচু শট সেনেগালের গোলরক্ষক দিয়াও দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন। এরপর বেলজিয়ামের আক্রমণে তেমন ধার দেখা যায়নি।

প্রথমার্ধের মাঝামাঝি পর্যন্ত খেলার নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি সেনেগালের হাতেই ছিল। তবে একাধিক সুযোগ নষ্ট না করলে ব্যবধান আরও বড় হতে পারত। এখন দেখার বিষয়, পিছিয়ে পড়া বেলজিয়াম দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে পারে কি না, নাকি সেনেগালই শেষ ষোলো নিশ্চিত করে।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow