ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
ফরিদপুরে কাঁচামাল ব্যবসায়ী ফয়সাল হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মধুখালীতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কাঁচামাল ব্যবসায়ী ফয়সাল হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে এ রায় দেওয়া হয়। মামলায় চার আসামির মধ্যে প্রধান আসামি মো. শাহিন মারা গেছেন। অন্য তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিরা হলেন- ফরিদপুর শহরের পূর্ব খাবাসপুর (মাঝিপাড়া) এলাকার আইয়ুব আলী ওরফে টাবু সর্দারের ছেলে চান সর্দার (২৮), জিয়াউল হক আকন্দের ছেলে মো. বাবুল আকন্দ (২২) ও শহর আলীর ছেলে শাহিন (২৫)। রায় ঘোষণার সময় আসামি বাবুল আকন্দ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্য দুই আসামি চান সর্দার ও শাহিন পলাতক রয়েছেন। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফয়সাল শহরের শরিয়াতুল্লা বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী ছিলেন। ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাশে ফয়সালকে ডেকে নিয়ে যান তারা। এ সময়
ফরিদপুরে কাঁচামাল ব্যবসায়ী ফয়সাল হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক মো. মোহাম্মদ বদিউজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, মধুখালীতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে কাঁচামাল ব্যবসায়ী ফয়সাল হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে এ রায় দেওয়া হয়।
মামলায় চার আসামির মধ্যে প্রধান আসামি মো. শাহিন মারা গেছেন। অন্য তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসামিরা হলেন- ফরিদপুর শহরের পূর্ব খাবাসপুর (মাঝিপাড়া) এলাকার আইয়ুব আলী ওরফে টাবু সর্দারের ছেলে চান সর্দার (২৮), জিয়াউল হক আকন্দের ছেলে মো. বাবুল আকন্দ (২২) ও শহর আলীর ছেলে শাহিন (২৫)।
রায় ঘোষণার সময় আসামি বাবুল আকন্দ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্য দুই আসামি চান সর্দার ও শাহিন পলাতক রয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফয়সাল শহরের শরিয়াতুল্লা বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী ছিলেন। ২০১২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব হয়। এর জেরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাশে ফয়সালকে ডেকে নিয়ে যান তারা। এ সময় শাহিন পেছন দিক থেকে ফয়সালের পিঠে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। পরে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে মা ফিরোজা বেগমের কাছে ঘটনাটি বর্ণনা করেন এবং জড়িতদের নাম বলে যান ফয়সাল।
আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) চৌধুরী জাহিদ হাসান (খোকন) বলেন, দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্যে আদালতে হত্যাকাণ্ডটি সন্দেহতীতভাব প্রমাণিত হয় এবং তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামি মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বাকি দুজন পলাতক রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
What's Your Reaction?