ব্যাংক-বিমায় ভর করে বাড়লো সূচক, কমেছে লেনদেন
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৩ জুলাই) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে বেড়েছে মূল্যসূচক। মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছে ব্যাংক ও বিমা খাতের কোম্পানিগুলো। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে বেড়েছে মূল্যসূচক। সেইসঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। সিএসইতে সূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ ব্যাংক ও বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতেই সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিলে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকে। ফলে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়েছে। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৮১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৫টির এবং ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অপরদিকে ১৬টি ব্যাংকের শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ৪টির দাম কমেছে। আর ৩৫টি বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরী
সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবার (১৩ জুলাই) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে বেড়েছে মূল্যসূচক। মূল্যসূচক ঊর্ধ্বমুখী রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছে ব্যাংক ও বিমা খাতের কোম্পানিগুলো।
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। ফলে বেড়েছে মূল্যসূচক। সেইসঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। সিএসইতে সূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ ব্যাংক ও বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতেই সূচকের ঊর্ধ্বমুখিতার দেখা মিলে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকে। ফলে দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়েছে।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৮১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৬৫টির এবং ৪৮টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অপরদিকে ১৬টি ব্যাংকের শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ৪টির দাম কমেছে। আর ৩৫টি বিমা কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ২২টির দাম কমেছে।
এদিকে ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৮৩টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ১০১টির দাম কমেছে এবং ১৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ৩৪টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৩১টির এবং ৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৬৪টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৩৩টির এবং ২৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে ৮টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে ২০টির দাম কমেছে এবং ৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
দাম বাড়ার তালিকা বড় হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৮৬৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ২ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ২০৩ পয়েন্টে উঠে এসেছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৯৬ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
মূল্যসূচক বাড়লেও ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কমেছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৪১৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১ হাজার ৬৬৯ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ২৫০ কোটি ৪৮ লাখ টাকা।
এই লেনদেনে সব থেকে বড় ভূমিকা রেখেছে মালেক স্পিনিংয়ের শেয়ার। কোম্পানিটির ৫৩ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ২৪ লাখ টাকার। ২৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইস্টার্ন হাউজিং।
এছাড়া ডিএসইতে লেনদেনের দিক থেকে শীর্ষ ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে- লাভেলো আইসক্রিম, সার্প ইন্ডাস্ট্রিজ, ফারইস্ট নিটিং, মেঘনা ইন্স্যুরেন্স, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন, লাফার্জহোলসিম এবং আরডি ফুড।
অন্য শেয়ারবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১১৮ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ ২৪৪ নেওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২২টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৯১টির এবং ৩১টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ৩০ কোটি ১০ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১০ কোটি ১১ লাখ টাকা।
এমএএস/এমএএইচ/
What's Your Reaction?