ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গরু ক্ষেতের শসা খাওয়ায় দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, নিহত ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে গরু ক্ষেতের শসা খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে হামদু মিয়া নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন। শনিবার (০১ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বাইগদা বন্দেরবাড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষ চলে। নিহত হামদু মিয়া (৫০) বাইগদা বন্দেরবাড়ি এলাকার ছোট্ট মিয়ার ছেলে।  পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে হামদু মিয়ার জমির শসা খেয়ে ফেলে প্রতিবেশী আবুল হোসেনের একটি গরু। এনিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে বিকেলে হামদু মিয়ার ছেলে নীরব স্থানীয় বাজারে গেলে প্রতিপক্ষ আবুল হোসেনের ছেলে ইয়াসিন নীরবকে থাপ্পড় দেয়। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হামদু মিয়ার লাঠির আঘাতে ইয়াসিনের মাথা ফেটে যায়।  এর জেরে শনিবার সকালে আবুল হোসেনের লোকজন হামদু মিয়ার বাড়িতে হামলা করে। এক পর্যায়ে দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষ চলাকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হামদু মিয়া নিহত হন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গরু ক্ষেতের শসা খাওয়ায় দুপক্ষের তুমুল সংঘর্ষ, নিহত ১

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে গরু ক্ষেতের শসা খাওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে দুপক্ষের সংঘর্ষে হামদু মিয়া নামে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন।

শনিবার (০১ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার হরষপুর ইউনিয়নের বাইগদা বন্দেরবাড়ি এলাকায় এ সংঘর্ষ চলে। নিহত হামদু মিয়া (৫০) বাইগদা বন্দেরবাড়ি এলাকার ছোট্ট মিয়ার ছেলে। 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে হামদু মিয়ার জমির শসা খেয়ে ফেলে প্রতিবেশী আবুল হোসেনের একটি গরু। এনিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। পরে বিকেলে হামদু মিয়ার ছেলে নীরব স্থানীয় বাজারে গেলে প্রতিপক্ষ আবুল হোসেনের ছেলে ইয়াসিন নীরবকে থাপ্পড় দেয়। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হামদু মিয়ার লাঠির আঘাতে ইয়াসিনের মাথা ফেটে যায়। 

এর জেরে শনিবার সকালে আবুল হোসেনের লোকজন হামদু মিয়ার বাড়িতে হামলা করে। এক পর্যায়ে দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষ চলাকালে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হামদু মিয়া নিহত হন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এম এম রকীব উর রাজা বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে পরবর্তী সংঘর্ষের আশঙ্কায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নিহতের মরদহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow