ভাইকে হত্যার পর বিদ্যুৎস্পর্শে মৃত্যু বলে প্রচারের অভিযোগ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিরোধের জেরে রইচ উদ্দিন নামে এক কৃষককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তারই ভাই মজনুর বিরুদ্ধে। হত্যার পর বিদ্যুৎস্পর্শে মৃত্যু বলে প্রচার করেছে বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন নিহতের ছেলে সিয়াম হোসেন। এর আগে শুক্রবার (১৩ মার্চ) নিজের সেচপাম্প ঘর থেকে রইচ উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত রইচ উদ্দিন ও অভিযুক্ত মজনু তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তাদের মধ্যে বিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্পের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল।
সিয়াম হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা রইচ উদ্দিন ও চাচা মো. মজনুর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পুকুরে মাছ চাষ ও ফসলি জমিতে বিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্পের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে গত বুধবার (১১ মার্চ) বাবার প্রায় ৪০ শতাংশের পুকুরে মাছ জোরপূর্বক ধরে ফেলে মজনু, আব্দুল লতিফ ও মোতালেব।
তিনি আরও বলেন, এতে বাঁধা দিলে লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে বাবাকে বেধড়ক মারধর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ঘটনায় বাবা বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অ
সিরাজগঞ্জের তাড়াশে বিরোধের জেরে রইচ উদ্দিন নামে এক কৃষককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তারই ভাই মজনুর বিরুদ্ধে। হত্যার পর বিদ্যুৎস্পর্শে মৃত্যু বলে প্রচার করেছে বলে অভিযোগ নিহতের পরিবারের।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন নিহতের ছেলে সিয়াম হোসেন। এর আগে শুক্রবার (১৩ মার্চ) নিজের সেচপাম্প ঘর থেকে রইচ উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত রইচ উদ্দিন ও অভিযুক্ত মজনু তাড়াশ উপজেলার দেশীগ্রাম ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তাদের মধ্যে বিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্পের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল।
সিয়াম হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা রইচ উদ্দিন ও চাচা মো. মজনুর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পুকুরে মাছ চাষ ও ফসলি জমিতে বিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্পের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে গত বুধবার (১১ মার্চ) বাবার প্রায় ৪০ শতাংশের পুকুরে মাছ জোরপূর্বক ধরে ফেলে মজনু, আব্দুল লতিফ ও মোতালেব।
তিনি আরও বলেন, এতে বাঁধা দিলে লোহার রড ও বাঁশের লাঠি দিয়ে বাবাকে বেধড়ক মারধর করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ ঘটনায় বাবা বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের বিষয়টি জানতে পেরে চাচা মজনু আমার বাবাকে হত্যার হুমকি দেয়। এ ঘটনার তিনদিন পর সেচপাম্পের ঘর থেকে আমার বাবার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ছেলে বলেন, আমার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। কারণ আমার বাবা ১৫ ধরে সেচপাম্পের মাধ্যমে প্রায় ১২০ থেকে ১৩০ বিঘা ফসলি জমিতে পানি দেয়। চাচার কাছে থেকে লোকজন পানি নেয় না। এ নিয়ে মাঝেমধ্যেই বাবার সঙ্গে মজনু চাচার কথা কাটাকাটি হয়। আবার পুকুরে মাছ ধরতে বাধা দেওয়ায় বাবাকে প্রচুর মারধর করেছে। এ নিয়ে থানায় অভিযোগ করেছিল বাবা। তারপর থেকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। গত শুক্রবার বাবাকে সেচপাম্পের ঘর থেকে মৃত অবস্থায় পাই। এটা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
তবে মজনু তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ভাই হয়ে আমি কেন ভাইকে মারতে যাব। এখন মানুষ নানা কথা বলছে। আমরা এখন কিছুই বলতে পারছি না।
তাড়াশ থানার ওসি মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। সেই অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।