ভাঙা স্লুইস গেটে ঢুকছে নদীর পানি, সিংড়ায় ৬০০ হেক্টর ধান নিয়ে শঙ্কা

নাটোরের সিংড়ায় দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে থাকা একটি স্লুইস গেট এখন স্থানীয় কৃষকদের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে পানি বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকিতে পড়েছে বিস্তীর্ণ কৃষিজমির ধান। জানা গেছে, সিংড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাঁসপুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত স্লুইস গেটটি অনেক দিন ধরেই অকেজো। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতে আত্রাই নদীর পানি বেড়ে গিয়ে ভাঙা গেট দিয়ে দ্রুত পানি ঢুকতে শুরু করেছে আশপাশের বিল এলাকায়। এর ফলে হাঁসপুকুরিয়া, নিংগইন ও তাজপুর বিলের প্রায় ৬০০ হেক্টর জমির ধান এখন হুমকির মুখে। ফসল রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। কৃষকদের ভাষ্য, সরকারি সহায়তার অপেক্ষা না করে তারা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়েছেন। গ্রামবাসী মিলে বালুর বস্তা ফেলে ভাঙা স্লুইস গেট বন্ধের চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে নদীর পানি বাড়তে থাকায় এই অস্থায়ী প্রতিরোধ কতটা টিকবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফরিদ জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ নির্মাণের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ভাঙা স্লুইস গেটে ঢুকছে নদীর পানি, সিংড়ায় ৬০০ হেক্টর ধান নিয়ে শঙ্কা

নাটোরের সিংড়ায় দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে পড়ে থাকা একটি স্লুইস গেট এখন স্থানীয় কৃষকদের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে পানি বেড়ে যাওয়ায় ঝুঁকিতে পড়েছে বিস্তীর্ণ কৃষিজমির ধান।

জানা গেছে, সিংড়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হাঁসপুকুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে অবস্থিত স্লুইস গেটটি অনেক দিন ধরেই অকেজো। সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতে আত্রাই নদীর পানি বেড়ে গিয়ে ভাঙা গেট দিয়ে দ্রুত পানি ঢুকতে শুরু করেছে আশপাশের বিল এলাকায়।

এর ফলে হাঁসপুকুরিয়া, নিংগইন ও তাজপুর বিলের প্রায় ৬০০ হেক্টর জমির ধান এখন হুমকির মুখে। ফসল রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।

কৃষকদের ভাষ্য, সরকারি সহায়তার অপেক্ষা না করে তারা নিজেরাই উদ্যোগ নিয়েছেন। গ্রামবাসী মিলে বালুর বস্তা ফেলে ভাঙা স্লুইস গেট বন্ধের চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে নদীর পানি বাড়তে থাকায় এই অস্থায়ী প্রতিরোধ কতটা টিকবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খন্দকার ফরিদ জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ নির্মাণের পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

রেজাউল করিম রেজা/এমএন/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow