ভারতের কাছে মাথা নত করা হবে না: ডা. তাহের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, অতীতে এমন কোনো সরকার ছিল না যারা ভারতের তোয়াজ না করে ক্ষমতায় থাকতে পেরেছে বলে মনে করত। কিন্তু আমরা তা বিশ্বাস করি না। শুধু আল্লাহকে ভয় করেই এই পৃথিবীতে চলা যায়। ১১ দলীয় জোট বিজয়ী হলে দেশে গুণগত পরিবর্তন আসবে। ভারতের কাছে মাথা নত করা হবে না, দুর্নীতি হবে না, স্বাধীনতাও বিক্রি হবে না। সোমবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর কেন্দ্রে জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ডা. তাহের বলেন, “বাংলাদেশ কোনো পরাশক্তির কাছে মাথা নত করবে না। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় আমরা আপসহীন থাকব।” তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “ইসলামী সমমনা দল, বীর মুক্তিযোদ্ধার দল ও জুলাই বিপ্লবের দলগুলো মিলে গঠিত ১১ দলীয় জোট যদি এবার ক্ষমতায় আসে, তাহলে প্রথম ও সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হবে—দুর্নীতি বন্ধ করা। দুর্নীতি খতম হয়ে যাবে, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধ হবে। এমনকি আমার দলের কেউ অন্যায় করলেও শাস্তির আওতায় আনা হবে। দলীয় পরিচয়ে অন্যায় করলে কোনো

ভারতের কাছে মাথা নত করা হবে না: ডা. তাহের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, অতীতে এমন কোনো সরকার ছিল না যারা ভারতের তোয়াজ না করে ক্ষমতায় থাকতে পেরেছে বলে মনে করত। কিন্তু আমরা তা বিশ্বাস করি না। শুধু আল্লাহকে ভয় করেই এই পৃথিবীতে চলা যায়। ১১ দলীয় জোট বিজয়ী হলে দেশে গুণগত পরিবর্তন আসবে। ভারতের কাছে মাথা নত করা হবে না, দুর্নীতি হবে না, স্বাধীনতাও বিক্রি হবে না।

সোমবার বিকেলে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর কেন্দ্রে জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ডা. তাহের বলেন, “বাংলাদেশ কোনো পরাশক্তির কাছে মাথা নত করবে না। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষায় আমরা আপসহীন থাকব।”

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, “ইসলামী সমমনা দল, বীর মুক্তিযোদ্ধার দল ও জুলাই বিপ্লবের দলগুলো মিলে গঠিত ১১ দলীয় জোট যদি এবার ক্ষমতায় আসে, তাহলে প্রথম ও সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হবে—দুর্নীতি বন্ধ করা। দুর্নীতি খতম হয়ে যাবে, চাঁদাবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধ হবে। এমনকি আমার দলের কেউ অন্যায় করলেও শাস্তির আওতায় আনা হবে। দলীয় পরিচয়ে অন্যায় করলে কোনো প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।”

নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে জামায়াতের এই শীর্ষ নেতা বলেন, “এবারের নির্বাচন শুধু এমপি বানানোর নির্বাচন নয়, এটি বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তনের নির্বাচন। গত ৫৬ বছরে আমরা বিভিন্ন সরকার দেখেছি। দল আলাদা হলেও চরিত্রগতভাবে তারা প্রায় একই ছিল। দুর্নীতি, খুন, রাহাজানি, দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজির ক্ষেত্রে সবার মধ্যে মিল ছিল। লুটপাট ও রাষ্ট্রীয় সম্পদ চুরিতেও তেমন পার্থক্য দেখা যায়নি।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের মাধ্যমে যদি একটি নতুন রাজনৈতিক শক্তিকে সরকারে আনা যায়, তাহলে গত ৫৬ বছরের সেই পুরনো দুর্নীতিবাজ রাজনীতির অবসান ঘটানো সম্ভব হবে।”

ডা. তাহের বলেন, “আমরা মানুষের মন জয় করে বিজয় অর্জন করতে চাই। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ভোটে নির্বাচিত হওয়ার জন্য আল্লাহর সাহায্য কামনা করছি। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। যে যে দলেরই অনুসারী হোন না কেন, দেশের বৃহত্তর স্বার্থে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে।”

স্থানীয় উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “চৌদ্দগ্রাম এলাকায় কোনো কাঁচা রাস্তা থাকবে না। ইতোমধ্যে ১৮০ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ পাস হয়েছে। আমরা একটি ঐতিহাসিক বিজয়ের অপেক্ষায় আছি।”

সমাবেশে গুণবতী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. ইউসুফ মেম্বারের সভাপতিত্বে এবং জামায়াত নেতা কামরুল ফারুকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আইয়ুব আলী ফরায়েজী, উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মেশকাত উদ্দিন সেলিম, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন উপজেলা এনসিপি নেতা খালেদ রায়হান, কুমিল্লা মহানগর ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মিয়াজী, সমাজসেবক ইঞ্জিনিয়ার ওয়াহিদুর রহমান, শাহাব উদ্দিন, ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আহমেদ হেলাল প্রমুখ।

সমাবেশে জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং বিপুলসংখ্যক সাধারণ ভোটার উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow