‘ভুল খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড’ বিতর্কে ভিএআরের পক্ষে ফিফা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ (ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দেওয়া) নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা। সংস্থাটি জানিয়েছে, টুর্নামেন্টে ভিএআরের মাধ্যমে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো নিয়ম মেনেই হয়েছে এবং এর উদ্দেশ্য ছিল ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) জানিয়েছে, বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে ভিএআর প্রটোকল সংশোধনের আলোচনায় এটি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। বিশ্বকাপ চলাকালে দুটি ঘটনায় রেফারি ভুলবশত ভুল খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখান। পরে ভিএআরের পরামর্শে সেই সিদ্ধান্ত সংশোধন করে প্রকৃত খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে ফিফা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়। ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপে মিস্টেকেন আইডেন্টিটির ব্যাখ্যা ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করেছে। দুটি ঘটনায় ভুল খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিপক্ষের সিমুলেশনের কারণে সৃষ্ট সেই বাস্তব ভুল ভিএআরের পরামর্শে রেফারি সংশোধন করেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘সিমুলেশনের ঘটনাটি অস্বীকার করা যায় না। এমন পরিস্থিতিতে ভুল

‘ভুল খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড’ বিতর্কে ভিএআরের পক্ষে ফিফা

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে ‘মিস্টেকেন আইডেন্টিটি’ (ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দেওয়া) নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দিয়েছে ফিফা। সংস্থাটি জানিয়েছে, টুর্নামেন্টে ভিএআরের মাধ্যমে নেওয়া সিদ্ধান্তগুলো নিয়ম মেনেই হয়েছে এবং এর উদ্দেশ্য ছিল ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড (আইএফএবি) জানিয়েছে, বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে ভিএআর প্রটোকল সংশোধনের আলোচনায় এটি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

বিশ্বকাপ চলাকালে দুটি ঘটনায় রেফারি ভুলবশত ভুল খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখান। পরে ভিএআরের পরামর্শে সেই সিদ্ধান্ত সংশোধন করে প্রকৃত খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলে ফিফা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়।

ফিফার এক মুখপাত্র বলেন, ‘ফিফা বিশ্বকাপে মিস্টেকেন আইডেন্টিটির ব্যাখ্যা ধারাবাহিকভাবে প্রয়োগ করেছে। দুটি ঘটনায় ভুল খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেওয়া হয়েছিল এবং প্রতিপক্ষের সিমুলেশনের কারণে সৃষ্ট সেই বাস্তব ভুল ভিএআরের পরামর্শে রেফারি সংশোধন করেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিমুলেশনের ঘটনাটি অস্বীকার করা যায় না। এমন পরিস্থিতিতে ভুল খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বহাল থাকলে তা দ্বিতীয় হলুদ কার্ডে বহিষ্কার বা হলুদ কার্ড জমার কারণে নিষেধাজ্ঞার মতো বড় পরিণতি ডেকে আনতে পারতো।’

ফিফার দাবি, এটি রেফারি বা ভিএআরের কোনো ভুল ছিল না। বরং সিদ্ধান্ত সংশোধনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা এটিকে রেফারি বা ভিএআরের ভুল হিসেবে দেখি না। এই সিদ্ধান্ত ন্যায়বিচার পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছে। আমরা আইএফএবির সার্কুলারে দেওয়া মন্তব্য সম্পর্কে অবগত। পুরো বিষয়টি নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ হয়েছে এবং তারা নিশ্চিত করেছে যে এই ব্যাখ্যা বৈধ, এটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে এবং সর্বশেষ বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) আলোচনার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভবিষ্যতে ভিএআর প্রটোকল সংশোধনের আলোচনার অংশ হবে।’

অন্যদিকে আইএফএবি তাদের সার্কুলারে জানিয়েছে যে, ভুল খেলোয়াড়কে শাস্তি দেওয়ার মতো স্পষ্ট বাস্তবগত ভুল সংশোধনের ক্ষেত্রে ফিফার এই ব্যাখ্যা গ্রহণযোগ্য। সংস্থাটি আরও বলেছে, বিশ্বকাপে এই পদ্ধতির ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে এবং ভবিষ্যতে ভিএআর প্রটোকল হালনাগাদের সময় বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে বিবেচনা করা হবে।

ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্যবহৃত এই ব্যাখ্যা ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক ফুটবলের ভিএআর ব্যবস্থার স্থায়ী অংশ হয়ে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow