ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে বিশ্বের বৃহত্তম আইসবার্গ
গত বছর পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় আইসবার্গ হিসেবে পরিচিত ছিল ‘এ২৩এ’ আইসবার্গ। সবচেয়ে বড় এই আইসবার্গটি দক্ষিণ মহাসাগরে ভেসে যাওয়ার সময় সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আর্কটিক এন্ড অ্যান্টার্কটিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এএআরআই) এ তথ্য জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রেস সার্ভিস জানায়, গত ৪০ বছর ধরে আমাদের বিজ্ঞানীরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় যে আইসবার্গ এ২৩এ পর্যবেক্ষণ করে আসছিলেন সেটির অস্তিত্ব আর নেই। বরফের এই বিশাল খণ্ডটি ছোট ছোট অংশে ভেঙে গেছে এবং মূল আয়তনের ৯৯ শতাংশ বিনিষ্ট হয়ে গেছে। এ২৩এ আইসবার্গটি ১৯৮৬ সালে অ্যান্টার্কটিকার ফিলশনার-রনে আইস শেলফ-এর প্রান্ত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। শুরুতে এর আয়তন ছিল ৪ হাজার ১৭০ বর্গকিলোমিটার (১,৬১০ বর্গমাইল) যা রাশিয়ার সেইন্ট পিটার্সবার্গ শহরের প্রায় দ্বিগুণ। ৩০ বছরেরও বেশি সময় এটি ওদেলা সাগরের অগভীর পানিতে আটকে ছিল। এরপর এটি অ্যান্টার্কটিকার উপকূল ধরে ভেসে চলতে শুরু করে এবং ২০২৩ সালের নভেম্বর নাগাদ উন্মুক্ত সমুদ্রে পৌঁছে যায়। ২০২৫ সালের শুরুতে আইসবার্গটি দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপের কাছাকাছি এসে প্রায় ৮০ কিলোমিটার (৫০ মাইল) দূরে আটকে যায় এবং জানুয়ারি থেকে
গত বছর পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বড় আইসবার্গ হিসেবে পরিচিত ছিল ‘এ২৩এ’ আইসবার্গ। সবচেয়ে বড় এই আইসবার্গটি দক্ষিণ মহাসাগরে ভেসে যাওয়ার সময় সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) আর্কটিক এন্ড অ্যান্টার্কটিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এএআরআই) এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রেস সার্ভিস জানায়, গত ৪০ বছর ধরে আমাদের বিজ্ঞানীরা বিশ্বের সবচেয়ে বড় যে আইসবার্গ এ২৩এ পর্যবেক্ষণ করে আসছিলেন সেটির অস্তিত্ব আর নেই। বরফের এই বিশাল খণ্ডটি ছোট ছোট অংশে ভেঙে গেছে এবং মূল আয়তনের ৯৯ শতাংশ বিনিষ্ট হয়ে গেছে।
এ২৩এ আইসবার্গটি ১৯৮৬ সালে অ্যান্টার্কটিকার ফিলশনার-রনে আইস শেলফ-এর প্রান্ত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। শুরুতে এর আয়তন ছিল ৪ হাজার ১৭০ বর্গকিলোমিটার (১,৬১০ বর্গমাইল) যা রাশিয়ার সেইন্ট পিটার্সবার্গ শহরের প্রায় দ্বিগুণ।
৩০ বছরেরও বেশি সময় এটি ওদেলা সাগরের অগভীর পানিতে আটকে ছিল। এরপর এটি অ্যান্টার্কটিকার উপকূল ধরে ভেসে চলতে শুরু করে এবং ২০২৩ সালের নভেম্বর নাগাদ উন্মুক্ত সমুদ্রে পৌঁছে যায়।
২০২৫ সালের শুরুতে আইসবার্গটি দক্ষিণ জর্জিয়া দ্বীপের কাছাকাছি এসে প্রায় ৮০ কিলোমিটার (৫০ মাইল) দূরে আটকে যায় এবং জানুয়ারি থেকে মে ২০২৫ পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে। এরপর এটি আবার ভেসে চলতে থাকে এবং দ্বীপটির পূর্ব দিক দিয়ে অতিক্রম করে।
২০২৫ সালের আগস্টের শেষে ৬০ থেকে ৩০০ বর্গকিলোমিটার (২৩–১১৬ বর্গমাইল) আয়তনের তিনটি বড় অংশ আলাদা হয়ে যায়। এর ফলে আইসবার্গটি বিশ্বের বৃহত্তম আইসবার্গের তালিকা থেকে ছিটকে পড়ে।
এএআরআই বরফ ও জলবায়ুবিষয়ক তথ্যকেন্দ্রের প্রধান বিশেষজ্ঞ পোলিনা সলোশচুক জানিয়েছেন, গত বছর পর্যন্ত এ২৩এ-কে বিশ্বের বৃহত্তম আইসবার্গ হিসেবে বিবেচনা করা হতো, তবে সেপ্টেম্বর মাসে সেই অবস্থান পরিবর্তিত হয়। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে এর আয়তন ছিল প্রায় ১,৩০০ বর্গকিলোমিটার (৫০২ বর্গমাইল)। বর্তমানে এটি ৫০ বর্গকিলোমিটার (১৯ বর্গমাইল)-এরও কম এলাকাজুড়ে রয়েছে।
বর্তমানে আইসবার্গটি উন্মুক্ত সমুদ্রে ভেঙে পড়ছে। গত তিন মাসে এটি প্রায় ১,০০০ কিলোমিটার (৬২১ মাইল) পথ অতিক্রম করেছে এবং দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের সীমানা অতিক্রম করেছে। বর্তমানে এটি দক্ষিণ অক্ষাংশ ৪৯ ডিগ্রির কাছাকাছি অবস্থান করছে বলে জানানো হয়েছে।
কেএম
What's Your Reaction?