মধ্যপ্রাচ্যে চাকরির বাজারে পাকিস্তানিদের আধিপত্য
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত ও নিরাপত্তা উদ্বেগের মধ্যেও বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য পাকিস্তানিদের অন্যতম প্রধান গন্তব্য হিসেবে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। পাকিস্তানের ব্যুরো অব এমিগ্রেশন অ্যান্ড ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে তিন লাখেরও বেশি পাকিস্তানি বিভিন্ন মধ্যপ্রাচ্যের দেশে চাকরির উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছেন। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১ লাখ ৪৩ হাজার ৫৮৬ জন পাকিস্তানি সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। ফলে দেশটি পাকিস্তানি শ্রমিকদের প্রধান গন্তব্য হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে। একই সময়ে প্রায় ৫০ হাজার পাকিস্তানি চাকরির জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে গেছেন। মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত তীব্র হওয়ার সময় করাচিতে দুবাই কনস্যুলেটের সামনে ভিসার জন্য শত শত চাকরিপ্রার্থীর দীর্ঘ সারিও দেখা যায়। এছাড়া কাতারে গেছেন ২৫ হাজার ৫০০ জন এবং বাহরাইনে গেছেন ১০ হাজার ১২৯ জন পাকিস্তানি কর্মী। বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাতের কারণে জাহাজ চলাচল ও বাণিজ্যে কিছুটা প্রভাব পড়লেও বিদেশে কাজের চাহি
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত ও নিরাপত্তা উদ্বেগের মধ্যেও বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য পাকিস্তানিদের অন্যতম প্রধান গন্তব্য হিসেবে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। পাকিস্তানের ব্যুরো অব এমিগ্রেশন অ্যান্ড ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম পাঁচ মাসে তিন লাখেরও বেশি পাকিস্তানি বিভিন্ন মধ্যপ্রাচ্যের দেশে চাকরির উদ্দেশ্যে পাড়ি জমিয়েছেন।
সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে মে মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১ লাখ ৪৩ হাজার ৫৮৬ জন পাকিস্তানি সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন। ফলে দেশটি পাকিস্তানি শ্রমিকদের প্রধান গন্তব্য হিসেবে অবস্থান ধরে রেখেছে।
একই সময়ে প্রায় ৫০ হাজার পাকিস্তানি চাকরির জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাতে গেছেন। মার্চ মাসে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত তীব্র হওয়ার সময় করাচিতে দুবাই কনস্যুলেটের সামনে ভিসার জন্য শত শত চাকরিপ্রার্থীর দীর্ঘ সারিও দেখা যায়।
এছাড়া কাতারে গেছেন ২৫ হাজার ৫০০ জন এবং বাহরাইনে গেছেন ১০ হাজার ১২৯ জন পাকিস্তানি কর্মী।
বিশ্লেষকদের মতে, উপসাগরীয় অঞ্চলে সংঘাতের কারণে জাহাজ চলাচল ও বাণিজ্যে কিছুটা প্রভাব পড়লেও বিদেশে কাজের চাহিদা এবং পাকিস্তানিদের কর্মসংস্থানের আগ্রহে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব পড়েনি।
বিদেশে কর্মরত পাকিস্তানিদের পাঠানো অর্থও দেশটির অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। চলতি বছরের মে মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ রেকর্ড ৪ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। আর ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে মোট রেমিট্যান্স ৪০ বিলিয়ন ডলারের সরকারি লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আঞ্চলিক অস্থিরতা সত্ত্বেও উপসাগরীয় দেশগুলোতে কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং শ্রমবাজারের চাহিদা এখনও শক্তিশালী রয়েছে, যা পাকিস্তানি কর্মীদের বিদেশমুখী প্রবণতা অব্যাহত রাখতে সহায়তা করছে।
সূত্র: গাল্ফ নিউজ
এমএসএম
What's Your Reaction?