মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি আইআরজিসির

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ৮ থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামের ওপর চালানো হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের বরাত দিয়ে আইআরজিসির মুখপাত্র সারদার মোহেবি বলেন, এসব হামলায় মার্কিন বাহিনীর একাধিক কমান্ড সেন্টার, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার, বিভিন্ন ধরনের নজরদারি রাডার, জ্বালানি সংরক্ষণাগার, অস্ত্রের গুদাম এবং যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, হামলায় এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের হ্যাঙ্গার, হিমার্স রকেট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা, প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা কমপ্লেক্স, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং বিভিন্ন সামরিক অবকাঠামোও ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া মাটিতে থাকা যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, নজরদারি ড্রোন, আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান এবং ভারী হেলিকপ্টারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। আইআরজিসির তালিকায় মোট সাতটি কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, ছয়টি প্যাট্রিয়ট রাডার, ১১টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার, ১৭টি ড্রোন, আটটি ট্যাংকার বিমান এবং একটি

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির দাবি আইআরজিসির

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ৮ থেকে ২২ জুলাইয়ের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামের ওপর চালানো হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমের বরাত দিয়ে আইআরজিসির মুখপাত্র সারদার মোহেবি বলেন, এসব হামলায় মার্কিন বাহিনীর একাধিক কমান্ড সেন্টার, প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার, বিভিন্ন ধরনের নজরদারি রাডার, জ্বালানি সংরক্ষণাগার, অস্ত্রের গুদাম এবং যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, হামলায় এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের হ্যাঙ্গার, হিমার্স রকেট উৎক্ষেপণ ব্যবস্থা, প্যাট্রিয়ট প্রতিরক্ষা কমপ্লেক্স, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ প্ল্যাটফর্ম এবং বিভিন্ন সামরিক অবকাঠামোও ধ্বংস হয়েছে। এ ছাড়া মাটিতে থাকা যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, নজরদারি ড্রোন, আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান এবং ভারী হেলিকপ্টারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়।

আইআরজিসির তালিকায় মোট সাতটি কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, ছয়টি প্যাট্রিয়ট রাডার, ১১টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার, ১৭টি ড্রোন, আটটি ট্যাংকার বিমান এবং একটি সি-১৭ পরিবহন বিমান ধ্বংসের দাবি করা হয়েছে। এছাড়া একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক তথ্যপ্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র, যা অ্যামাজনের বলে দাবি করা হয়েছে, সেটিতেও হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এখন পর্যন্ত আইআরজিসির এসব দাবির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। এর আগে সেন্টকম জানিয়েছিল, তাদের অভিযানে ইরানের উপকূলীয় সামরিক কমান্ড সেন্টার, ড্রোন সংরক্ষণাগার, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র এবং সামুদ্রিক সামরিক সক্ষমতাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।

আইআরজিসির এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow