মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে পণ্য পরিবহন ব্যয় কমবে: নৌমন্ত্রী

দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী পুরোদমে চালু হলে পণ্য পরিবহন ও খালাসের ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে কমবে এবং সময় বাঁচবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।   তিনি জানান, এই বন্দরে বড় আকারের মাদার ভেসেল সরাসরি ভিড়তে পারবে, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।   সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।   নৌমন্ত্রী জানান, বর্তমানে কর্ণফুলী চ্যানেলের গভীরতা ৮.৫ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত বজায় রাখা হচ্ছে। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০ মিটার ড্রাফটের এবং ৩ হাজার টিইইউএস ধারণক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ ভিড়তে পারছে। তবে দেশের ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্য সামাল দিতে মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। আরও পড়ুন মহেশখালী-মাতারবাড়ী হাব / ৩০ বছরে বিনিয়োগ ৬৫ বিলিয়ন ডলার, কাজের সুযোগ হবে ২৫ লাখ মানুষের   তিনি জানান, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরে ১২-১৪ মিটার ড্রাফটের জাহাজ সরাসরি ভিড়া

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হলে পণ্য পরিবহন ব্যয় কমবে: নৌমন্ত্রী
দেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী পুরোদমে চালু হলে পণ্য পরিবহন ও খালাসের ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে কমবে এবং সময় বাঁচবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
 
তিনি জানান, এই বন্দরে বড় আকারের মাদার ভেসেল সরাসরি ভিড়তে পারবে, যা দেশের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
 
সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলামের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
 
নৌমন্ত্রী জানান, বর্তমানে কর্ণফুলী চ্যানেলের গভীরতা ৮.৫ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত বজায় রাখা হচ্ছে। এর ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে বর্তমানে সর্বোচ্চ ১০ মিটার ড্রাফটের এবং ৩ হাজার টিইইউএস ধারণক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ ভিড়তে পারছে। তবে দেশের ক্রমবর্ধমান বৈদেশিক বাণিজ্য সামাল দিতে মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
 
তিনি জানান, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরে ১২-১৪ মিটার ড্রাফটের জাহাজ সরাসরি ভিড়ানো সম্ভব হবে। এই বন্দরের চ্যানেল ১৬ মিটার গভীর এবং ৩৫০ মিটার প্রশস্ত করে নির্মাণ করা হচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যে বন্দরটি সচল করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এটি চালু হলে ৮ হাজার ২০০ টিইইউএস ধারণক্ষমতাসম্পন্ন কনটেইনারবাহী জাহাজ বা ৩ লাখ ডিডব্লিউটি ধারণক্ষমতার মাদার ভেসেল সরাসরি ভিড়তে পারবে।
 
মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমানে চট্টগ্রাম বন্দরে সিঙ্গাপুর বা কলম্বো হয়ে ছোট জাহাজে পণ্য আনতে যে বাড়তি খরচ ও সময় লাগে, মাতারবাড়ী বন্দর চালু হলে তা অনেকাংশে সাশ্রয় হবে।
 
চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রসঙ্গে শেখ রবিউল আলাম বলেন, বন্দরের কনটেইনার খালাস ও ডেলিভারি সংক্রান্ত কার্যক্রম এরই মধ্যে ৮০ শতাংশ ডিজিটালাইজড করা হয়েছে। এছাড়া ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরাসরি শিপিং রুট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নিজস্ব অর্থায়নে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ করা হয়েছে, যা বর্তমানে জিটুজি চুক্তির আওতায় বিদেশি অপারেটর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।
 
তিনি জানান, কনটেইনার জট কমাতে বে-টার্মিনাল নির্মাণের কাজও চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ আঞ্চলিক সমুদ্র বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘হাব’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে এবং সুনীল অর্থনীতিতে শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে।
 
এমওএস/এমকেআর 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow