মাদক বিরোধী অভিযানে যুবকের মৃত্যু
মাগুরা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী অভিযানের সময় এক যুবকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
নিহত আকব্বর মোল্লা (৪০) মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় ইটভাটা শ্রমিক ছিলেন।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাগুরা জেলা কার্যালয়ের একটি দল এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ঘুম থেকে ডেকে তুলে আকব্বর মোল্লাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ জনতা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে সংস্থাটির একাধিক সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিরাজুল ইসলাম জানান, মাদকবিরোধী অভিযানের সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ৩০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে ওই ব্যক্তি মারা যান। তবে মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত নয়।
তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে
মাগুরা জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী অভিযানের সময় এক যুবকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
নিহত আকব্বর মোল্লা (৪০) মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পেশায় ইটভাটা শ্রমিক ছিলেন।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাগুরা জেলা কার্যালয়ের একটি দল এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ঘুম থেকে ডেকে তুলে আকব্বর মোল্লাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ জনতা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে সংস্থাটির একাধিক সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মিরাজুল ইসলাম জানান, মাদকবিরোধী অভিযানের সময় এক ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ৩০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে ওই ব্যক্তি মারা যান। তবে মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত নয়।
তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ঘটনার বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।