মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজা

লালমনিরহাটে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় এক পলাতক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ মো. হায়দার আলী এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আমিনুর রহমান (পলাতক) জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার বাড়ইপাড়া (কানিপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১৩(গ) অনুযায়ী অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ সময় আদালত তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর রাত ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু বক্কর সিদ্দিক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় হাতীবান্ধা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। বিচার প্রক্রিয়ায় আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এ রায় প্রদান করেন। রায়ে বলা হয়, পলাতক আসামি আত্মসমর্পণ বা গ্রেপ্ত

মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজা

লালমনিরহাটে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় এক পলাতক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) লালমনিরহাট জেলা ও দায়রা জজ মো. হায়দার আলী এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. আমিনুর রহমান (পলাতক) জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার বাড়ইপাড়া (কানিপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(১) ধারার সারণির ১৩(গ) অনুযায়ী অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ সময় আদালত তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর রাত ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে হাতীবান্ধা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আবু বক্কর সিদ্দিক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন।
পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে তার কাছ থেকে অবৈধ মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় হাতীবান্ধা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। বিচার প্রক্রিয়ায় আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণে প্রমাণিত হওয়ায় তার বিরুদ্ধে এ রায় প্রদান করেন।

রায়ে বলা হয়, পলাতক আসামি আত্মসমর্পণ বা গ্রেপ্তার হওয়ার দিন থেকে দণ্ড কার্যকর হবে। বিচারাধীন সময়ে হাজতবাস করে থাকলে সেই সময় কারাদণ্ডের মেয়াদ থেকে বাদ যাবে। জব্দ করা আলামত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করে বিধি অনুযায়ী ধ্বংসের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের পিপি হুমায়ুন রেজা স্বপন বলেন, বিচার প্রক্রিয়ায় আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে মর্মে এ রায় দেন। পলাতক আসামি আত্মসমর্পণ বা গ্রেপ্তার হওয়ার দিন থেকে দণ্ড কার্যকর হবে বলে মামলার রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow