মালদ্বীপে ভালো চাকরির স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদ

উন্নত জীবনের আশায় মালদ্বীপে গিয়ে আবারও এক প্রবাসী বাংলাদেশির সর্বস্বান্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুয়া ড্রাইভিং ভিসায় মালদ্বীপে পাঠিয়ে কাজ না দিয়ে আটকে রাখা এবং দেশে ফিরতে বাধ্য করা হয়। জানা গেছে, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার চালতেবাড়ীয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ড্রাইভার এই প্রতারণার শিকার হন। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মালদ্বীপ প্রবাসী আদম ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলাম ওরফে রাজা বাবু জাহাঙ্গীরকে ভালো বেতনের চালকের চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়ে জাহাঙ্গীরকে মালদ্বীপে পাঠানোর পর কোনো কাজ দেওয়া হয়নি। উল্টো তাকে সেখানে এক দালালের হাতে তুলে দিয়ে অভিযুক্ত রাজা বাবু নিজে দেশে ফিরে আসে। দীর্ঘ তিন মাস মালদ্বীপে মানবেতর জীবনযাপন করার পর, অবশেষে পরিবারের পাঠানো টিকিটের টাকায় শূন্য হাতে দেশে ফিরতে বাধ্য হন জাহাঙ্গীর। এ ঘটনায় জাহাঙ্গীরের বাবা আদর আলী গাজী বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মূল অভিযুক্ত আসাদুল ইসলাম ওরফে রাজা বাবু, তার বাবা মজিবর শেখ ও মা নাসিমা খাতুনকে আসামি

মালদ্বীপে ভালো চাকরির স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদ

উন্নত জীবনের আশায় মালদ্বীপে গিয়ে আবারও এক প্রবাসী বাংলাদেশির সর্বস্বান্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ভুয়া ড্রাইভিং ভিসায় মালদ্বীপে পাঠিয়ে কাজ না দিয়ে আটকে রাখা এবং দেশে ফিরতে বাধ্য করা হয়।

জানা গেছে, সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার চালতেবাড়ীয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম নামে এক ড্রাইভার এই প্রতারণার শিকার হন। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মালদ্বীপ প্রবাসী আদম ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলাম ওরফে রাজা বাবু জাহাঙ্গীরকে ভালো বেতনের চালকের চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রায় সাড়ে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, বিপুল অঙ্কের টাকা নিয়ে জাহাঙ্গীরকে মালদ্বীপে পাঠানোর পর কোনো কাজ দেওয়া হয়নি। উল্টো তাকে সেখানে এক দালালের হাতে তুলে দিয়ে অভিযুক্ত রাজা বাবু নিজে দেশে ফিরে আসে। দীর্ঘ তিন মাস মালদ্বীপে মানবেতর জীবনযাপন করার পর, অবশেষে পরিবারের পাঠানো টিকিটের টাকায় শূন্য হাতে দেশে ফিরতে বাধ্য হন জাহাঙ্গীর।

এ ঘটনায় জাহাঙ্গীরের বাবা আদর আলী গাজী বাদী হয়ে সাতক্ষীরা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় মূল অভিযুক্ত আসাদুল ইসলাম ওরফে রাজা বাবু, তার বাবা মজিবর শেখ ও মা নাসিমা খাতুনকে আসামি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে তদন্ত চলাকালে অভিযুক্ত আসাদুল ইসলাম প্রকাশ্যে সাড়ে ৪ লাখ টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে। তবে টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে সে কোনো স্পষ্ট জবাব দেয়নি।

স্থানীয়রা জানান, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র মালদ্বীপে ভালো চাকরির ভুয়া প্রলোভন দেখিয়ে অনেক সহজ-সরল তরুণের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। অনেক প্রবাসী সেখানে গিয়ে কাজ না পেয়ে, বৈধ কাগজপত্রের অভাবে পলাতক ও মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। অনেকে আবার ভয় ও লোকলজ্জার কারণে মুখ খুলতেও সাহস পাচ্ছেন না।

বিদেশে যাওয়ার আগে অবশ্যই সরকারি অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা এবং কোনো ধরনের দালালের প্রলোভনে পা না দেওয়ার জন্য প্রবাসী ও বিদেশ গমনেচ্ছুদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন অভিবাসী বিশেষজ্ঞরা।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow