মিয়ানমারে সাজার মেয়াদ কমল সুচির, কারামুক্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট

মিয়ানমারের কারাবন্দি সাবেক নেত্রী অং সান সুচির কারাদণ্ড কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকেও মুক্তি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা রয়টার্স প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং সাধারণ ক্ষমার অংশ হিসেবে সুচির সাজার মেয়াদ কমিয়েছেন। পাঁচ বছর আগে হ্লাইং এর নেতৃত্বে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমেই সুচিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করা হয়েছিল।  অং সান সুচি নানা অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে উসকানি, দুর্নীতি, নির্বাচন জালিয়াতি ও রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন। তার ঘনিষ্ঠদের দাবি, এসব অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।  সুচির আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, তার সাজা প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ কমানো হয়েছে। তবে তিনি বাকি সময় গৃহবন্দি অবস্থায় কাটানোর সুযোগ পাবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর থেকে সুচিকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।  মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং ৪ হাজার ৩৩৫ জন বন্দির জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন। গত ছয় মাসে তৃতীয়বারের মতো সাধারণ

মিয়ানমারে সাজার মেয়াদ কমল সুচির, কারামুক্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট
মিয়ানমারের কারাবন্দি সাবেক নেত্রী অং সান সুচির কারাদণ্ড কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকেও মুক্তি দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা রয়টার্স প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং সাধারণ ক্ষমার অংশ হিসেবে সুচির সাজার মেয়াদ কমিয়েছেন। পাঁচ বছর আগে হ্লাইং এর নেতৃত্বে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমেই সুচিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করা হয়েছিল।  অং সান সুচি নানা অভিযোগে ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছিলেন। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে উসকানি, দুর্নীতি, নির্বাচন জালিয়াতি ও রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা আইন লঙ্ঘন। তার ঘনিষ্ঠদের দাবি, এসব অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।  সুচির আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, তার সাজা প্রায় ছয় ভাগের এক ভাগ কমানো হয়েছে। তবে তিনি বাকি সময় গৃহবন্দি অবস্থায় কাটানোর সুযোগ পাবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর থেকে সুচিকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।  মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে জানা যায়, প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইং ৪ হাজার ৩৩৫ জন বন্দির জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছেন। গত ছয় মাসে তৃতীয়বারের মতো সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হল দেশটিতে। মিয়ানমারে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবস ও নববর্ষ উপলক্ষ্যে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার প্রচলন রয়েছে।   মুক্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মিয়ানমারের সাবেক প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট। তিনি ২০১৮ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত দেশটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, নির্দিষ্ট শর্তে তাকে ক্ষমা করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মিয়ানমারে ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অং সান সুচি ও উইন মিন্টের নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন মিন অং হ্লাইং। এরপর থেকেই দেশটিতে ব্যাপক রাজনৈতিক অস্থিরতা ও গৃহযুদ্ধ চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow