ম্যারাডোনার মৃত্যু মামলায় সাক্ষ্যে উঠে এলো মানসিক রোগের প্রসঙ্গ

প্রয়াত আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার বাইপোলার ডিসঅর্ডার ছিল এবং তিনি নার্সিসিস্ট ধরনের ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন বলে আর্জেন্টিনার আদালতে গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সাক্ষ্য দিয়েছেন একজন মনোবিজ্ঞানী আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। তিনি আরও জানান, বিশ্ব ফুটবলের এই কিংবদন্তির জন্য সম্পূর্ণভাবে অ্যালকোহল-মুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রয়োজন ছিল। মামলায় অভিযুক্ত মনোবিজ্ঞানী কার্লোস দিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ডের, কারণ তিনি ভুল ওষুধ দিয়েছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তিনি মোট সাতজন আসামির একজন, যাদের বিরুদ্ধে ম্যারাডোনার মৃত্যুর জন্য ফৌজদারি দায়িত্ব রয়েছে। তিনি আদালতে বলেন, ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর ম্যারাডোনার সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল মৃত্যুর ২৯ দিন আগে। সেসময় তিনি আর্জেন্টাইন কিংবদন্তিকে সোফায় বসে ওয়াইন পান করতে দেখেছিলেন। তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম দেখায় আমি হতবাক হয়েছিলাম, কারণ তিনি আমার বাবার মতোই ছিলেন। একজন মদাসক্ত, যিনি কয়েক মাস আগেই মারা গিয়েছিলেন।’ দিয়াজ জানান, তিনি বিশ্বাস করতেন ম্যারাডোনা নিজের জীবনধারা বদলাতে চান এবং সেই অনুযায়ী অ্যালকোহল পরিহার

ম্যারাডোনার মৃত্যু মামলায় সাক্ষ্যে উঠে এলো মানসিক রোগের প্রসঙ্গ

প্রয়াত আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি ডিয়েগো ম্যারাডোনার বাইপোলার ডিসঅর্ডার ছিল এবং তিনি নার্সিসিস্ট ধরনের ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন বলে আর্জেন্টিনার আদালতে গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সাক্ষ্য দিয়েছেন একজন মনোবিজ্ঞানী

আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

তিনি আরও জানান, বিশ্ব ফুটবলের এই কিংবদন্তির জন্য সম্পূর্ণভাবে অ্যালকোহল-মুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা প্রয়োজন ছিল।

মামলায় অভিযুক্ত মনোবিজ্ঞানী কার্লোস দিয়াজের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ডের, কারণ তিনি ভুল ওষুধ দিয়েছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তিনি মোট সাতজন আসামির একজন, যাদের বিরুদ্ধে ম্যারাডোনার মৃত্যুর জন্য ফৌজদারি দায়িত্ব রয়েছে।

তিনি আদালতে বলেন, ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর ম্যারাডোনার সঙ্গে তার দেখা হয়েছিল মৃত্যুর ২৯ দিন আগে। সেসময় তিনি আর্জেন্টাইন কিংবদন্তিকে সোফায় বসে ওয়াইন পান করতে দেখেছিলেন। তিনি আরও বলেন, ‘প্রথম দেখায় আমি হতবাক হয়েছিলাম, কারণ তিনি আমার বাবার মতোই ছিলেন। একজন মদাসক্ত, যিনি কয়েক মাস আগেই মারা গিয়েছিলেন।’

দিয়াজ জানান, তিনি বিশ্বাস করতেন ম্যারাডোনা নিজের জীবনধারা বদলাতে চান এবং সেই অনুযায়ী অ্যালকোহল পরিহারভিত্তিক চিকিৎসা পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছিল। তিনি আরও দাবি করেন, টক্সিকোলজি রিপোর্ট অনুযায়ী মৃত্যুর আগে মারাদোনা ২৩ দিন কোনো ড্রাগ ব্যবহার করেননি।

ডিয়েগো ম্যারাডোনা ছিলেন ১৯৮৬ ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক। তিনি ২০২০ সালের ২৫ নভেম্বর, ৬০ বছর বয়সে মারা যান।

বর্তমান বিচারকাজে তার মেডিকেল ও কেয়ার টিমের সদস্যদের অপরাধমূলক দায় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে নিউরোসার্জন লেপোলডো লুক আদালতে বলেন, মারাদোনাকে বাড়িতে রেখে চিকিৎসা দেওয়া যথাযথ ছিল এবং সেটিকে আইসিইউ হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্য ছিল না।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow