যমুনায় পানি কমলেও কমেনি দুর্ভোগ

সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীতে বন্যা পরিস্থিতি উন্নত হতে শুরু করেছে। তবে কমেনি জনভোগান্তি। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বিশেষ করে জেলার কাজীপুর, চৌহালী, সিরাজগঞ্জ সদর ও শাহজাদপুর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নত হয়েছে। ফলে ধীরে ধীরে মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়তে শুরু করেছে। পাউবোর পানি পরিমাপক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জের হার্ড পয়েন্টে বিপৎসীমার ১১৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ১৪ সেন্টিমিটার পানি কমেছে। অপরদিকে কাজীপুর পয়েন্টে যমুনার পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় পানি কমেছে ১৪ সেন্টিমিটার। সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়নের সমছের আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘চলমান বন্যায় আমার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জমি তলিয়ে শাক সবজি ও ফসলের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আশা করেছিলাম শাক সবজি গুলো বিক্রি করে একটা গরু কিনবো। সেটা আর হলো না। এখন নদীতে পানি কমায় ডুবে যাওয়া জমি জেগে উঠছে।’ একই উপজেলার জুড়ান শেখ বলেন, ‘আমার জমির প্রায় কয়েক লাখ টাকার সবজি খেত নষ্ট হয়ে গেছে। সঙ্গে নষ্ট হয়েছে পাটের খেতও। পানি নামার পর কী করবো জানি না। ভব

যমুনায় পানি কমলেও কমেনি দুর্ভোগ

সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীতে বন্যা পরিস্থিতি উন্নত হতে শুরু করেছে। তবে কমেনি জনভোগান্তি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বিশেষ করে জেলার কাজীপুর, চৌহালী, সিরাজগঞ্জ সদর ও শাহজাদপুর উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি উন্নত হয়েছে। ফলে ধীরে ধীরে মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়তে শুরু করেছে।

পাউবোর পানি পরিমাপক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জের হার্ড পয়েন্টে বিপৎসীমার ১১৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ১৪ সেন্টিমিটার পানি কমেছে।

অপরদিকে কাজীপুর পয়েন্টে যমুনার পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ২৪ ঘণ্টায় পানি কমেছে ১৪ সেন্টিমিটার।

যমুনায় পানি কমলেও কমেনি দুর্ভোগ

সদর উপজেলার কাওয়াকোলা ইউনিয়নের সমছের আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘চলমান বন্যায় আমার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জমি তলিয়ে শাক সবজি ও ফসলের অনেক ক্ষতি হয়েছে। আশা করেছিলাম শাক সবজি গুলো বিক্রি করে একটা গরু কিনবো। সেটা আর হলো না। এখন নদীতে পানি কমায় ডুবে যাওয়া জমি জেগে উঠছে।’

একই উপজেলার জুড়ান শেখ বলেন, ‘আমার জমির প্রায় কয়েক লাখ টাকার সবজি খেত নষ্ট হয়ে গেছে। সঙ্গে নষ্ট হয়েছে পাটের খেতও। পানি নামার পর কী করবো জানি না। ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।’

অন্যদিকে বানভাসি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চালাচ্ছে জেলা, উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন এনজিও সংস্থা ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

বন্যাকবলিত চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নূরুল আমিন বলছেন, ‘টানা বৃষ্টি না হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির এখন উন্নতি হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে অল্প ক'দিনের মধ্যে সব মানুষ নিজ নিজ বাড়িতে ফিরতে পারবেন।’

তারা আরও জানিয়েছেন, যতদিন এ অবস্থা থাকবে ততদিন ত্রাণ কার্যক্রম চলবে।

এম এ মালেক/কেজে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow