যশোরে পল্লি চিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা

যশোরের শার্শায় নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক পল্লি চিকিৎসক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বারিপোতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আল আমিন। তিনি উপজেলার নাভারন এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিলেন। পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নামাজ আদায় শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আল আমিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হাসান জানান, ছুটিতে থাকায় থানার দায়িত্বে থাকা তদন্ত কর্মকর্তা বিষয়টি দেখছেন। তবে তিনি জানতে পেরেছেন নামাজ পড়ে ফেরার পথে তাকে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদিকে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম বলেন, ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ য

যশোরে পল্লি চিকিৎসককে কুপিয়ে হত্যা

যশোরের শার্শায় নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে এক পল্লি চিকিৎসক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার বারিপোতা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের নাম আল আমিন। তিনি উপজেলার নাভারন এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নামাজ আদায় শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আল আমিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যান। স্থানীয়রা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ হাসান জানান, ছুটিতে থাকায় থানার দায়িত্বে থাকা তদন্ত কর্মকর্তা বিষয়টি দেখছেন। তবে তিনি জানতে পেরেছেন নামাজ পড়ে ফেরার পথে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

অন্যদিকে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহ আলম বলেন, ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মো. জামাল হোসেন/আরএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow