যাত্রীসেবায় কোনো অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে এবং নিরাপত্তা জোরদারে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান। বুধবার (২০ মে) বিকেলে লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। এসময় তিনি টার্মিনালের সার্বিক পরিস্থিতি, যাত্রীসেবা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী লঞ্চ মালিক, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি যাত্রীদের ভোগান্তি কমানো, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ ও লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন। একই সঙ্গে নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীদের কোনো অবস্থাতেই নৌকা বা ট্রলার ব্যবহার করে লঞ্চে উঠানামা না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেন তিনি। প্রতিমন্ত্রী টিকিট কাউন্টার সচল রাখা, অনুসন্ধান কেন্দ্র চালু রাখা, মা ও শিশুর জন্য নির্ধারিত কক্ষ এবং যাত্রীদের বিশ্রামাগার পরিষ্কার-পরিচ্

যাত্রীসেবায় কোনো অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীসেবা নিশ্চিত করতে এবং নিরাপত্তা জোরদারে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে লঞ্চ টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন। এসময় তিনি টার্মিনালের সার্বিক পরিস্থিতি, যাত্রীসেবা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা ঘুরে দেখেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী লঞ্চ মালিক, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি যাত্রীদের ভোগান্তি কমানো, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধ ও লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করেন।

একই সঙ্গে নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীদের কোনো অবস্থাতেই নৌকা বা ট্রলার ব্যবহার করে লঞ্চে উঠানামা না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী টিকিট কাউন্টার সচল রাখা, অনুসন্ধান কেন্দ্র চালু রাখা, মা ও শিশুর জন্য নির্ধারিত কক্ষ এবং যাত্রীদের বিশ্রামাগার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি প্রতিটি লঞ্চে ডিজিটাল ভাড়ার তালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন, যাতে যাত্রীরা সহজেই নির্ধারিত ভাড়া সম্পর্কে জানতে পারেন এবং কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন।

তিনি বলেন, ঈদযাত্রাকে স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী, লঞ্চ মালিক ও শ্রমিকদের দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে হবে। যাত্রীসেবায় কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।

পরিদর্শনকালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড, বিআইডব্লিউটিসি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমডিএএ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow