যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি সংসদে আনার দাবি
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি সংসদ অধিবেশনে আলোচনায় আনার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে তিনি এই দাবি তুলেন। চুক্তি নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এতে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ধারা আছে বলে তখন আপত্তি উঠেছিল, আর সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এটি বাতিলও করতে পারে।’ তিনি বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বৈঠকে বাণিজ্য চুক্তি আলোচনায় এসেছে। ওই বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে আমদানি ও রপ্তানির ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। রুমিন ফারহানা বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমরা রপ্তানি করি, আমেরিকা থেকে সে পরিমাণ পণ্য আমরা আমদানি করি না। যে কারণে একটা বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং এই বাণিজ্য ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে বাণিজ্য চু
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি সংসদ অধিবেশনে আলোচনায় আনার দাবি জানিয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে তিনি এই দাবি তুলেন।
চুক্তি নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এতে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ধারা আছে বলে তখন আপত্তি উঠেছিল, আর সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এটি বাতিলও করতে পারে।’
তিনি বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বৈঠকে বাণিজ্য চুক্তি আলোচনায় এসেছে। ওই বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে আমদানি ও রপ্তানির ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমরা রপ্তানি করি, আমেরিকা থেকে সে পরিমাণ পণ্য আমরা আমদানি করি না। যে কারণে একটা বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং এই বাণিজ্য ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে।
চুক্তি সাক্ষরের ‘সময় নিয়ে’ আপত্তি তুলে তিনি বলেন, এই চুক্তিতে অনেকগুলো ক্লজ আছে যেটা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী। সুতরাং নির্বাচনের পরে যখন একটি নির্বাচিত সরকার আসবে তখন যেন এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। কিন্তু আনফরচুনেটলি আমরা দেখলাম যে না অন্তর্বর্তী সরকার শোনেনি এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
এ সময় তিনি আরও কিছু বলতে চাইলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাকে থামিয়ে বলেন, ‘মাননীয় সদস্য শুনুন এটি কোনো পয়েন্ট অব অর্ডার হলো না। ৩০১ বিধিতে আপনি পড়লে দেখতে পাবেন যে পয়েন্ট অব অর্ডার সংসদের চলমান বিষয়ের ওপরে হতে হয় কিংবা সংসদ কাজে শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য হতে হয়। আপনি একটি নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। আপনি নোটিশ দেন, এটি বিবেচনা করে দেখা হবে।’
What's Your Reaction?