যে শর্তে হরমুজে ২০ শতাংশ ফি প্রত্যাহার করলেন ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ২০ শতাংশ ফি আরোপের প্রস্তাব থেকে সরে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই ছিল তার অন্যতম লক্ষ্য। বিবিসির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে শুল্ক ইস্যুতে আলোচনার সময়ও বারবার এ বিষয়টি সামনে এসেছে। ট্রাম্প এর আগে দাবি করেছেন, এসব চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ‘বড় ধরনের’ বিনিয়োগ আসবে এবং নতুন কারখানা ও সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত এসব পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি ট্রাম্প যেসব উপসাগরীয় দেশকে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তাদের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এদিকে ট্রাম্পের পোস্টের শেষ অংশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সেখানে তিনি বলেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার দিন ‘শেষ হয়ে গেছে’। তবে কীভাবে তিনি এ লক্ষ্য অর্জন করবেন, তা পরিষ্কার নয়। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের পরও ইরানের শাসনব্যবস্থা অনেকটাই অক্ষত রয়েছে। যদিও দেশটির বেশ কয়ে

যে শর্তে হরমুজে ২০ শতাংশ ফি প্রত্যাহার করলেন ট্রাম্প

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ২০ শতাংশ ফি আরোপের প্রস্তাব থেকে সরে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই ছিল তার অন্যতম লক্ষ্য।

বিবিসির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে শুল্ক ইস্যুতে আলোচনার সময়ও বারবার এ বিষয়টি সামনে এসেছে।

ট্রাম্প এর আগে দাবি করেছেন, এসব চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে ‘বড় ধরনের’ বিনিয়োগ আসবে এবং নতুন কারখানা ও সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত এসব পরিকল্পনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি ট্রাম্প যেসব উপসাগরীয় দেশকে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তাদের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে ট্রাম্পের পোস্টের শেষ অংশ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সেখানে তিনি বলেন, ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার দিন ‘শেষ হয়ে গেছে’। তবে কীভাবে তিনি এ লক্ষ্য অর্জন করবেন, তা পরিষ্কার নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধের পরও ইরানের শাসনব্যবস্থা অনেকটাই অক্ষত রয়েছে। যদিও দেশটির বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন, তারপরও ইরানের বর্তমান নেতৃত্বকে কীভাবে এমন পরিবর্তনের জন্য চাপ দেওয়া হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

শিগগিরই হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিস থেকে এ বিষয়ে ট্রাম্প বক্তব্য রাখবেন বলে জানা গেছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow