রমজানজুড়ে হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের সেহরি খাওয়াবেন যুবদল নেতা

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সদর হাসপাতালে আগত রোগীর স্বজনদের জন্য ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন পটুয়াখালী যুবদলের সাবেক এক নেতা। তার উদ্যোগে প্রতিদিন বিনামূল্যে সেহরির খাবার বিতরণ করা হচ্ছে, যা পুরো রমজান মাসজুড়ে চলবে। ভোরে যখন শহরের হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো বন্ধ থাকে, ঠিক সেই সময় পটুয়াখালী যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রুমির উদ্যোগে পটুয়াখালীর বিভিন্ন দূর-দূরান্ত থেকে আগত সদর হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের স্বজনদের জন্য নিয়মিত সেহরির আয়োজন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগে রোগীর স্বজনরা নির্বিঘ্নে রোজা পালনের সুযোগ পাচ্ছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিদিন রাত আনুমানিক দুইটার দিকে একটি হোটেলের সহযোগিতায় সেহরির রান্নার কাজ শুরু হয়। রান্না শেষে মুরগির মাংস, সাদা ভাত, ডাল ও সবজি ভ্যানগাড়িতে করে নিজেরা বহন করে নিয়ে যাওয়া হবে হাসপাতালের সামনে। সেহরির সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের ডেকে বাটি কিংবা প্লেটে সুশৃঙ্খলভাবে খাবার পরিবেশন করা হবে। কমলাপুর থেকে আগত রোগীর স্বজন মুসলিমা বেগম বলেন, রাতের বেলায় শহরের ভাতের হোটেলগুলো বন্ধ থাকায় সেহরি খাওয়ার সুযোগ পান না অনেকেই। ফলে না খেয়েই কিংবা শুধু পানি প

রমজানজুড়ে হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের সেহরি খাওয়াবেন যুবদল নেতা

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সদর হাসপাতালে আগত রোগীর স্বজনদের জন্য ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন পটুয়াখালী যুবদলের সাবেক এক নেতা। তার উদ্যোগে প্রতিদিন বিনামূল্যে সেহরির খাবার বিতরণ করা হচ্ছে, যা পুরো রমজান মাসজুড়ে চলবে।

ভোরে যখন শহরের হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো বন্ধ থাকে, ঠিক সেই সময় পটুয়াখালী যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রুমির উদ্যোগে পটুয়াখালীর বিভিন্ন দূর-দূরান্ত থেকে আগত সদর হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের স্বজনদের জন্য নিয়মিত সেহরির আয়োজন করা হচ্ছে। এই উদ্যোগে রোগীর স্বজনরা নির্বিঘ্নে রোজা পালনের সুযোগ পাচ্ছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিদিন রাত আনুমানিক দুইটার দিকে একটি হোটেলের সহযোগিতায় সেহরির রান্নার কাজ শুরু হয়। রান্না শেষে মুরগির মাংস, সাদা ভাত, ডাল ও সবজি ভ্যানগাড়িতে করে নিজেরা বহন করে নিয়ে যাওয়া হবে হাসপাতালের সামনে। সেহরির সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের ডেকে বাটি কিংবা প্লেটে সুশৃঙ্খলভাবে খাবার পরিবেশন করা হবে।

রমজানজুড়ে হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের সেহরি খাওয়াবেন যুবদল নেতা

কমলাপুর থেকে আগত রোগীর স্বজন মুসলিমা বেগম বলেন, রাতের বেলায় শহরের ভাতের হোটেলগুলো বন্ধ থাকায় সেহরি খাওয়ার সুযোগ পান না অনেকেই। ফলে না খেয়েই কিংবা শুধু পানি পান করে কষ্ট করে রোজা রাখতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে এই সেহরি কার্যক্রম তাদের জন্য বড় স্বস্তি হয়ে এসেছে।

আয়োজক যুবদল নেতা মোস্তাফিজুর রহমান রুমি বলেন, বিএনপি মানুষের জন্য রাজনীতি করে। আমাদের নেতা তারেক রহমানের নির্দেশে মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের লক্ষ্য। হাসপাতালে রোগীর স্বজনরা যেন না খেয়ে রোজা রাখতে বাধ্য না হন, সেই চিন্তা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রমজান মাসজুড়ে এই সেহরি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

মাহমুদ হাসান রায়হান/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow