রাঙ্গামাটিতে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

রাঙ্গামাটিতে জামায়াতের বরকল উপজেলা সেক্রেটারি রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করেছেন এক ব্যবসায়ী। গত ১৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে এ মামলা হয় বলে জানান বরকল উপজেলার ভুষণছড়া ইউনিয়নের হরিণা বাজারের ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হক। মামলায় দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন, ভূষণছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ এরাবুনিয়া গ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে জামায়াত নেতা মো. রবিউল ইসলাম (২৮) এবং একই উপজেলার কলাবুনিয়া গ্রামের মো. আজিমুদ্দিনের ছেলে মো. নূর হোসেন (৩৪)। জামায়াত নেতা রবিউল ইসলাম হরিণা বাজারের ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হকের নিকট দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে। তবে চাঁদাবাজির দাবিটি মিথ্যা বলে জানান জামায়াত নেতা রবিউল ইসলাম। তিনি বলেন, মোজাম্মেল হক একজন চোরাকারবারি। সে ভারত সীমান্তে সেগুণকাঠ ও অন্যান্য মালামাল পাচার করতো। গত ১৪ এপ্রিল এ বিষয়ে ফেসবুক আইডিতে লেখালেখি করি। এ কারণে উনি (মোজাম্মেল হক) ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করেছে। বাদী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক কাজী মিজা

রাঙ্গামাটিতে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা

রাঙ্গামাটিতে জামায়াতের বরকল উপজেলা সেক্রেটারি রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করেছেন এক ব্যবসায়ী।

গত ১৯ এপ্রিল চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালে এ মামলা হয় বলে জানান বরকল উপজেলার ভুষণছড়া ইউনিয়নের হরিণা বাজারের ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হক।

মামলায় দুইজনকে আসামি করা হয়েছে। তারা হলেন, ভূষণছড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ এরাবুনিয়া গ্রামের আব্দুল মোতালেবের ছেলে জামায়াত নেতা মো. রবিউল ইসলাম (২৮) এবং একই উপজেলার কলাবুনিয়া গ্রামের মো. আজিমুদ্দিনের ছেলে মো. নূর হোসেন (৩৪)।

জামায়াত নেতা রবিউল ইসলাম হরিণা বাজারের ব্যবসায়ী মোজাম্মেল হকের নিকট দশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে।

তবে চাঁদাবাজির দাবিটি মিথ্যা বলে জানান জামায়াত নেতা রবিউল ইসলাম।

তিনি বলেন, মোজাম্মেল হক একজন চোরাকারবারি। সে ভারত সীমান্তে সেগুণকাঠ ও অন্যান্য মালামাল পাচার করতো। গত ১৪ এপ্রিল এ বিষয়ে ফেসবুক আইডিতে লেখালেখি করি। এ কারণে উনি (মোজাম্মেল হক) ক্ষিপ্ত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির মামলা করেছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক কাজী মিজানুর রহমান মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

এদিকে মামলার বিষয়টি আসামিরা জানার পর তার প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং তাকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন বাদী মোজাম্মেল হক। নিজের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি বরকল থানায় জিডি করেন।

বরকল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, মোজাম্মেল হক নিজের নিরাপত্তার জন্য জিডি করেছেন। বিষয়টি তদন্তের পর আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরমান খান/এএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow